সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ফিশিং লাইসেন্স

 1953 সালের ফিশিং লাইসেন্স


এটা 1953 সালের North Carolina এর Resident State Fishing License। এখনকার প্লাস্টিক কার্ড না, তখন কাগজের লাইসেন্স দিত।


ডিটেইলস যা পড়া যাচ্ছে:


 [নামটা হাতে লেখা, পুরাটা স্পষ্ট না]



মাঝখানে লাল কালিতে একটা মাছের ছাপ আছে – এটা স্ট্যাম্প, জালিয়াতি ঠেকানোর জন্য।


ইন্টারেস্টিং ব্যাপার:

1. দাম: 1953 সালে $3.10। ইনফ্লেশন ধরলে আজকে প্রায় $35 এর মতো।

2. ডিটেইলড বর্ণনা: এখনকার লাইসেন্সে চুল/চোখের রঙ, উচ্চতা লেখে না। তখন ছবি ছাড়া আইডেন্টিফাই করার জন্য এগুলা লাগত।

3. Morganton, NC: এটা North Carolina এর Burke County এর শহর। পাশে Catawba River আর Lake James আছে, মাছ ধরার জন্য বিখ্যাত।

4. কাগজ: বাম পাশটা ছেঁড়া। এগুলা একটা বড় বই থেকে ছিঁড়ে দিত এজেন্ট।


এই লাইসেন্সটা 70+ বছর পুরানো। ভিনটেজ জিনিসপত্র বা North Carolina এর ইতিহাস কালেক্ট করেন যারা, তাদের কাছে এটার ভালো দাম আছে। eBay তে 1950s এর ফিশিং লাইসেন্স $15-$40 এ বিক্রি হয়।



কেন সেই লাইসেন্সটি বিশেষ:


১. ৭০ বছরেরও বেশি পুরোনো: ১৯৫৩ সাল ছিল কোরীয় যুদ্ধের সময়। এই ধরনের হাতে লেখা কাগজের লাইসেন্স এখন দুর্লভ। বেশিরভাগই হারিয়ে গেছে বা ফেলে দেওয়া হয়েছে।

২. বিস্তারিত বিবরণ: সেই সময়ে তারা তালিকাভুক্ত করত: চুল: ফর্সা, চোখ: বাদামী, ৫' ৭½", ১৪০ পাউন্ড, কারণ ছবিসহ পরিচয়পত্র প্রচলিত ছিল না। এভাবেই গেম ওয়ার্ডেনরা লোকজনকে শনাক্ত করত।


৩. মরগ্যান্টন, এনসি: এটি লেক জেমস এবং ক্যাটাবা নদীর ঠিক পাশেই। ১৯৫০-এর দশকে এটি ট্রাউট এবং বাস মাছ ধরার জন্য একটি বিশাল এলাকা ছিল। এইচ. জি. এইচ...পি সম্ভবত সেরা জায়গাগুলো সব জানত।


৪. ১৯৫৩ সালে ৩.১০ ডলার: মুদ্রাস্ফীতির কারণে, যা আজকের দিনে প্রায় ৩৫ ডলারের সমান। সেই সময়ে মাছ ধরার লাইসেন্সের জন্য এটি বেশ বড় অঙ্কের টাকা ছিল — প্রায় ২-৩ ঘণ্টার মজুরির সমান।


৫. ওই লাল মাছের ছাপ: এটি একটি রাজস্ব ছাপ। এটি প্রমাণ করে যে ৩.১০ ডলার ফি রাজ্যকে দেওয়া হয়েছিল। এটি জাল করাও কঠিন ।

এটি দিয়ে আপনি যা করতে পারেন:


১. নামটি খুঁজে বের করুন: মরগ্যান্টনের এইচ. জি. এইচ...পি, ১৯৫৩ সালে বয়স ২৯। তার বয়স তখন প্রায় ১০০ বছর হবে। এখন বার্ক কাউন্টির ১৯৫০ সালের মার্কিন আদমশুমারির রেকর্ডগুলো দেখুন। আপনি হয়তো জানতে পারবেন তিনি আপনার কোনো আত্মীয় কিনা।

২. এটি সংরক্ষণ করুন: এটিকে একটি অ্যাসিড-মুক্ত খাপে রাখুন। ১৯৫০-এর দশকের কাগজ দ্রুত ভঙ্গুর হয়ে যায়। এটিকে সূর্যালোক এবং আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন।

৩. মূল্য: সংগ্রাহকরা অবস্থার ওপর নির্ভর করে ১৯৫০-এর দশকের নর্থ ক্যারোলাইনার মাছ ধরার লাইসেন্সের জন্য ১৫-৪০ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। যদি এইচ. জি. স্থানীয়ভাবে কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন, তবে এর মূল্য আরও বেশি হতে পারে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিনি পয়সার বিপদ

  বৃষ্টি । গহন ঘন ঝুম বৃষ্টি । শ্রাবণ মাস । বৃষ্টির  মউসুম ।   যেই সময়ের যেটা ।     গত কয়েক  দশক ধরে  বৃষ্টি এত কম হয়  ,   আষাঢ় -   শ্রাবণ এই শব্দ দুটো বাঙালি ভুলে গেছে । বাংলা ক্যালেন্ডারে এই নামে দুটো  পাতা আছে। ব্যস - এই ।    যারা  আশির দশকের মানুষ ,   তারা জানতো এই দুই  মাসের  ইন্দ্রজালের প্রভাব  ।টানা একুশ দিন বৃষ্টি হয়েছে অমন রেকর্ডও আছে জলবায়ু দপ্তরে  , মানুষের  স্মৃতিতে । এই বছরের  বৃষ্টি       পুরানো তামার পয়সার মত মানুষদের  মনে  ভেজা স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে  । গাড়ি চালাচ্ছেন দিলদার খান ।  পুলিশের লোক  , এস আই। পিছনের সিটে ঘুম ঘুম চোখে বসে আছে কনস্টেবল  ইব্রাহীম খলিল । সাধারণত খলিল গাড়ি চালায় । আজ বৃষ্টির তোড় এত বেশি ,   কী   মনে করে ওকে পিছনে বসিয়ে স্যার নিজেই চালাচ্ছে । মনে মনে বিরক্ত  খলিল । রাত বারোটায় শিফট শেষ হবে। কোথায় থানায় বসে চা খাবে। বাদামের খোসা ঠুস ঠাশ করে ভেঙ্গে  মুখে দেবে ।  সহকারী কনস...

সরাইখানার গোলমাল

  সরাইখানার   গোলমাল   আসে   কানে , ঘরের   সার্সি   বাজে   তাহাদের   গানে , পর্দা   যে   উড়ে   যায় তাদের   হাসির   ঝড়ের   আঘাতে   হায় ! - মদের   পাত্র   গিয়েছে   কবে   যে   ভেঙে ! আজও   মন   ওঠে   রেঙে দিলদারদের   দরাজ   গলায়   রবে , সরায়ের   উৎসবে ! ---------- জীবনানন্দ   দাশ       খাবার রান্না করা আর   পরিবেশন ের জায়গা ,   দুটোই  সমান  গুরুত্বপূর্ণ।   খাবারের স্বাদ , খদ্দেরের রুচি   আর ব্যবসা এই  তিনটের  জন্য হাই স্কিল লোক রাখা দরকার। যারা কাজটা জানে। ভাল সার্ভিস দিতে পারে। দক্ষ লোক আপনার লাগবেই।     খাবার বা পানীয় যে খানেই পরিবেশন হোক সেটাই - হসপিটালিটি বিভাগ। খদ্দেরের খুশির জন্যই বেশ খানিক ঝাঁ চকচকে পরিবেশ রাখতে হয়।   একই সাথে   ভাল কর্মী দরকার হবে আপনার। যারা  পরিশ্রম করতে পারে। হাসিখুশি। নিয়ম মেনে চলে। এবং পরিছন্ন।  রয়েছে  শেখার আগ্রহ । ...

অদ্ভুত সব টিনের কৌটা

অনেক গুলো   বছর   আগে    টিনের   এক    কৌটা   পেয়েছিলাম ।     ক্রিসমাসের   উপহার   ।   অবাক   হয়েছিলাম   দেখে   ।   একি আজব চিজ। সুভেনিয়র   মনে   হলেও  ,   খুলে   দেখি ,   ভেতরে   মসলা   দেয়া   খোসা ছড়ানো  ঝিনুক ।   এত   সুন্দর   দেখতে  , বলার   মত   না   ।    আর   হ্যাঁ  ,   তক্ষুনি   খেয়ে   ফেলতে   হবে   না ।   মোট   পাঁচ   বছর   রাখা   যাবে  ! কোন   তাড়া   নেই   ।     হায়   হায়  ! ভেবে   অবাক । মানুষ   কেমন   করে   এই   কায়দা   আবিস্কার   করল  ? মানে   খাবার   সংরক্ষণের   এই   কায়দা  ? খোঁজ   নিলাম   ভাল   করে    ।   নাহ  ,   এর   ইতিহাস   অনেক   প্রাচীন ।     সেই   গুহাযুগেই ...