সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মায়ের জন্য বাড়ি ফেরা

  তোমরা অনেকেই প্রশ্ন কর , আমার লেখায় গাছ , লতা পাতা এই সব হাবিজাবির অত বর্ণনা ঘুরে ফিরে আসে কেন ? বলা মুশকিল , হতে পারে  সবুজ প্রকৃতির মধ্যে বড়  হয়েছি বলে।   অনেক সুন্দর ছিল তখনকার পরিবেশ। পথে ঘাটে   দেখা যেত   গুচ্ছ গুচ্ছ   রাংচিতার ঝোপ। নুনিয়া শাক। বাক্সা ঘাসের দঙ্গল।   ঘন    পুকুরে ,   সবুজ পাতা ঝিঁঝিঁ দেখতাম অহরহ। শ্যাওলার ভেতরে  লুকিয়ে গোল্লা ছুট খেলে  রঙিন শাড়ি   পরা    খলসে মাছ।      কাচ পোকা   তরতর করে  হেঁটে যেত পুকুরের জলের উপর দিয়ে। যেন আয়নার উপর দিয়ে হাঁটছে। আজ আর তেমন দেখা যায় না।   মনে রাখবে মানুষ খুব বোকা প্রাণী। সব সময়  পরিবেশ নষ্ট করে নিজেদের ক্ষতি করে। আর এর ফল কখনই ভাল হয় না। আমরা তখন নগর খানপুর নামে এক জায়গায়  থাকতাম । বাড়ির  সামনে  শীতলক্ষ্যা নদী।   রাতের বেলা ইস্টিমারের ভৌ শব্দ শুনতে পেতাম ঘুমের মধ্যে। শীত কালে কেমন হিম ধরা একটা অচেনা বাতাস উড়ে আসতো  নদীর ওপার থেকে।    আর ছিল বিশাল এক তেপান্তরের মাঠ। বাংলার মাঠ ...

তারাপদ বাবুর একদিন

  তারাপদ বাবু সেই ছোটবেলা থেকে শুনে আসছেন.জিনেরা মিষ্টি খেতে পছন্দ করে। শুধু তাইনা,যে দোকানেরমিষ্টি একবার ওদের ভাল লেগে যায় সেই দোকানের মালিকের অবস্থা একেবারে পোয়াবারো হয়ে যায়।গভীর রাতে জিনেরা আসে ছদ্মবেশ নিয়ে।বেশিরভাগ সময়ইসাদা পোশাক পরা হুজুর সেজে আসে।দশ পনেরো কেজি মিষ্টি কিনে নেয় একবারে।পরদিন রাতে আবারআসে।আবার দশ-পনেরো কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যায়।দোকানেরমালিকের অবস্থা পাল্টাতে বেশি সময় লাগেনা।কারন এভাবে চলতেই থাকে। ঘটনা সত্য না মিথ্যা জানার কোনো উপায় নেই। অথচ এত মানুষের মুখে এই জিনের গল্প শুনেছেন যে বিশ্বাস না করেও উপায় নেই।তারাপদ বাবুর এক বন্ধু ছিল।যাদের মিষ্টির দোকানের নাম রসকুন্ড।তাদের অবস্থাও আগে এত ভাল ছিলনা।কোনো মতে টেনে হিচড়ে চলত তাদের ব্যাবসা।কিন্তু একবার গভীর রাতে নাকি এক মাওলানা টাইপের খদ্দের এসে দশ.কেজি মিষ্টির অর্ডার দিয়েছিল।খদ্দের মিষ্টি নিয়ে চলে যাবার পর তারাপদ বাবুর বন্ধু,অর্থাৎ,দোকানের মালিক তার টেবিলেরউপর পেয়েছিল তিন তিনটে আকবরী মোহর।আর সেগুলো বেচেই তো বড়লোক হয়ে গেল বন্ধু।তারাপদ বাবু ভাবেন আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন।ইস,তার জীবনেওযদি এমন হত।আচ্ছা,জিনেরা কি হিন্দুদের মিষ্টি...

খাবার নিয়ে আবার

  * প্রাচীন গ্রীসে মেজবান প্রথমে ওয়াইনের গ্লাসে চুমুক দিতেন । প্রমান করতেন ওয়াইন বিষাক্ত না। * সবচেয়ে পুরানো ওয়াইনের বোতল পাওয়া গেছে জার্মানিতে। ৩২৫ সালের। * ফ্রান্স , ইটালি , স্পেন  আর  ক্যালিফোনিয়াতে সবচেয়ে বেশি ওয়াইন তৈরি হয়। * এক বোতল ওয়াইন বানাতে ২ , ২৭ কেজি আঙুরের দরকার হয়। * টমেটো , শশা  , জুকিনি ( zucchini) , ক্যাপসিকাম এইগুলো সব ফল , সবজী না। মানে আগে লোকজন এমনটাই ভাবতো। ১৮৯৩ সালে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় - এ গুলো আসলে সবজী , ফল না। ওদের যুক্তি এই জিনিসগুলো তো ডিনারে খাই ।এইসব দিয়ে তো আর কেক পুডিং  বানানো হয় না। কাজেই ফল হয় কি করে  ? * টমেটো কেচাপ আবিস্কার করেছিলেন এক ইংরেজ নাবিক। তখন মোটেও টমেটো দিয়ে বানাত না এটা। সয়াসস , ফিশ সস আর অয়েস্টারশেয়ার সস এই রকম হাবিজাবি মিশিয়ে বানাত। ১৭০০ সালের পরে এতে টমেটো মেশানো শুরু করে। * সুপ অনেক পুরানো খাবার। প্রায় ৬ হাজার বছর আগে থেকেই চলত। জলহস্তির   সুপ ছিল সেটা। * কোকার দানা একসময় মুদ্রা হিসাবে ব্যবহার করা হত। * ম্যাক ডোনালড প্রতি সেকেন্ডে ৭৫টা করে হ্যামবার্গার বিক্রি করে। * ১৮০০ সালে টমেটো কে...