সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নীলকান্ত বাবু আর সাত ডাকাত

  বর্ষাকাল  ডাকাতদের জন্য দারুন চনমন করা  একটা সময়।     বৃষ্টির জল পেয়ে  নদীগুলোর সাহস   বেড়ে  দুই  কূল উপচে উঠে। গ্রামের নিচু সমতল  পথ ঘাট ডুবে  এক একটা গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ছন্নছাড়া দ্বীপের মত।  যোগাযোগের উপায় থাকে না।   রাতের বেলা টিমটিম করে কুপি বা হারিকেলের  জ্বলে। দূর থেকে অমন বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলো  দেখতে বড্ড রহস্যময় লাগে তখন ।     ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকার রাতে ,    শাখা নদী থেকে  লম্বা কালো ছিপ নৌকা বেয়ে  বড়   নদীতে চলে আসে ডাকাতের দল।  দলের মধ্যে এমন লোক থাকে যারা খুব নিঃশব্দে  দাঁড়  বাইতে পারে । আর   কে না জানে ,    ছিপ নৌকা তো বাতাসের আগে চলে।    নদীর কলকল  আর রাতের বাতাসের  সাইসাই  শব্দে নৌকার  দাঁড়ের  শব্দ চাপা পড়ে যায়। অমাবস্যা রাত ডাকাতি করার জন্য  খুবই  ভাল।  ভরা জোসনার চান্দিনা  রাত ভাল না।   বহু দূর থেকেই  ডাকাতদের নড়াচড়া  কারও না কারো  চোখে প...

খাবারে বিষ

  ইস্কুল জীবনে এক স্যার একবার ক্লাসে বলেছিলেন -   অ্যাঁই তরা জানিস সক্রেটিস স্বেচ্ছায় বিষ খেয়ে মারা গিয়েছিলেন। সেই বিষের নাম ছিল হেমলক। কিছু একটা না বললে খারাপ দেখায়। তাই বুক চিতিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললাম - স্যার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও সম্ভবত বিষ খেয়েছিলেন। তার একটা গানে আছে  , আমি জেনে শুনে বিষ করেছি পান। শোনেননি স্যার ? স্যার সম্ভবত গানটা শোনেননি। তাই মারধর খেলাম যৎপরোনস্তি। শুভেচ্ছা হিসাবে আমার কান দুটো রেডিয়োর নবের মত ইচ্ছেমত মুচড়ে দিলেন তিনি। কান ধরে বেঞ্চির উপর দাঁড়িয়ে রইলাম নিঃসঙ্গ নাবিকের মত। দৈনন্দিন জীবনে আমরা যা খাচ্ছি সবই বিষ। বিশ্বাস করুন। একদম বাড়িয়ে বলছি না। সব খাবারের ব্যবহার করা হচ্ছে বিষাক্ত রঙ বা কেমিকেল। ফল পাকানো হতে মাছ সংরক্ষণের জন্যও ব্যবহার করা হচ্ছে নানার বিষ। বিষ আমার বিষ ওগো বিষে ভুবন ভরা। উপায় নেই বিপদে পড়ে খাচ্ছি। কিন্তু ,   এমন কোন খাবার আছে যা আমরা জেনে শুনে ঝুঁকি নিয়ে খাই ? সবাই  জানে , খেলে ক্ষতি বা বিপদ হতে পারে তারপরও  খায় ? হ্যাঁ , তেমনটা  ও আছে। ১। পাফার ফিশ - বাংলাদেশে এটা পটকা মাছ হিসাবে অনেকে চেনে। আগে প্রায়ই পত্রিকাতে স...