সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দেশে বিদেশে স্বাদের সন্ধানে

খাবারের যাত্রা দিয়ে যে এত বৈচিত্র্যপূর্ণ বিশ্বভ্রমণ হতে পারে, তা আপনার লেখা না পড়লে জানতেই পারতাম না ।  আর যেটা আপনার লেখায় বেশি মন ছুঁয়ে যায় তা হল, মায়া, এক সর্বব্যাপী মায়ার চাদর যেন বিছিয়ে আছে গোটা বই জুড়ে ।  এর আগেও বিশ্বব্যাপী খাবারের তথ্যসমৃদ্ধ বই পড়েছি, কিন্তু সেগুলোতে আপনার লেখার মত মায়া ছিল না ।  থাকবেই বা কি করে, সেই লেখকেরা তো আর আপনার মতো সিন্দাবাদের জীবন কাটায়নি । আহৃত তথ্য আর নিজের যাপন করা জীবনের সাক্ষাৎ অভিজ্ঞতা থেকে লেখা দুটো বইয়ের মধ্যে আকাশপাতাল ফারাক থাকে । প্রথম শ্রেণির বইতে দ্বিতীয় শ্রেণির অভিজ্ঞতালব্ধ/ জনিত ভালোবাসার টান থাকেনা ।  আপনার লেখা পড়তে পড়তে কখনো কাউবয়দের নেটল স্যুপ বানিয়ে খাওয়ায় মজে গেছি, কখনো বা আফ্রিকানদের দিনের পর দিন কলাসেদ্ধ (মাটো) চটকে খাওয়ার কথায় ভাবছি, আহা, আমরা কত সৌভাগ্যবান! অন্তত: এত রকমের খাবারের পসরা আমাদের আছে । আর আমরা শুধুই কি না নিজেদের ভাগ্যকে দোষ দিই ।  কি করে ভুলি সেই ভুট্টা বেচা দুই ভাইবোন আর অবশ্যই গরম ভাতের গন্ধেও সোয়েটার বেচে চাল জোগাড়ের দুঃখ বুকে চেপে বসে থাকা বুবুর কথা । আহা, ভালো থ...

জাদুকর আর ঘোড়াগুলো

  শহরের শেষ মাথায় নিঝুম   বাড়িটায় থাকতো এক   জাদুকর । তেমন একটা মিশুক   ধরনের লোক ছিল না সে । একা একাই থাকতো ।  লোকজন , ভিড় ,  হল্লা মল্লা পছন্দ করত না ।           এমন কী   ,    মোড়ের   পাকুড় গাছের তলার  চায়ের দোকানে        বসে কোনদিন এক পেয়ালা চা পান করতে    দেখেনি কেউ । অথচ ওই দোকানের চা এক কথায় ফাটাফাটি জিনিস।   সপ্তাহে একদিন অবশ্য বাজার করতে বের হত ,    হাতে পাটের থলে নিয়ে ।   সে     বাড়ি থেকে   বের হয়েছে ,    সেটা সবাই বুঝতে পারত ।   কারন জাদুকরের মাথার টুপির মধ্যে তিনটে   পিতলের ঘণ্টা ছিল । বাতাসে কেমন টুং টাং করে বেজে উঠতো । জাদুকরের গায়ে রঙ্গিন ছাপরাঅয়ালা   জামা ।   অনেকগুলো রঙ্গিন টুকরো   কাপড় যোগার করে তালি দিয়ে অমন ফতুয়া মার্কা জামা বানিয়ে নিয়ে ছিল  সে । মাথায় তিনকোনা টুপি । সেটা অবশ্য কালো কুচকুচে । পায়ে চুমকির কাজ করা নাগরা । অনেকটা হোজ্জা   নাসিরুদ্দিন যেমন পর...