পাঁচ
মহাজাগতিক ভাষা
টেলিপ্যাথি শব্দটা গ্রিক।
টেলি অর্থ দূর - দূরত্ব, বহুদূর ইত্যাদি। প্যাথি (Pathy) অর্থ অনুভূতি। দূরের ঘটনা বা ব্যাপারগুলোর সম্পর্কে অনুভূতি ই টেলিপ্যাথি।
আজকাল এই টেলিপ্যাথি শব্দটা ততটা অচেনা নয়। কমবেশি সবাই জানে। অনেকেরই বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে।
বাড়িতে বসে আছেন। আচমকা মনে হল বহু দূরে থাকা এক প্রিয়জনের কথা। কেন যেন মনে হল সে কোন রকম বিপদে পড়েছে। হয়তো অসুস্থ বা অন্য কিছু।
পরদিন খবর পেলেন কথাটা সত্য। যেমনটা ভেবেছিলেন তেমনই হয়েছে।
হয় না অমন ?
অথবা বহু দিন দেখা হয় না প্রিয় কারও সাথে। ভাবছেন তার কথা। তখনই দরজায় বেল বাজল। দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখেন সেই প্রিয়জন দাড়িয়ে আছে!
এ সবই টেলিপ্যাথি।
একটা সময় বিজ্ঞান টেলিপ্যাথি বা ইএসপি বিশ্বাস করতো না। তাদের মতে এটা পুরাই ফালতু এক অনুভূতি। বিজ্ঞানের কোন ভিত্তি নেই।
তারপর সময় পালটাল। কি মনে করে কিছু কিছু বিজ্ঞানী টেলিপ্যাথি নিয়ে গবেষণা শুরু করলেন। লোভ ছিল, কোন ভাবে যদি অন্যের মনের কথা জানা যায়।
হরেক রকম গবেষণার পর জানা গেল, সত্যি মিথ্যা যাই হোক না কেন, কিছু কিছু মানুষের ভেতরে চরম ভাবে রয়েছে এই দুর্লভ গুনটা। নাকি বলব , বিদ্যাটা ?
সহজ কিছু পরীক্ষার মাধ্যমেও এক্সট্রা সেন্সরি পারসেপশন (Extrasensory perception) ব্যাপারটা জানা যায়।
পরীক্ষাগারে একদল ছাত্র ছাত্রীকে ডেকে নেয়া হল। তাদের অবশ্য বুঝতে দেয়া হল না যে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। মুখ বন্ধ করা কতগুলো খাম দেখানো হল। খামের ভেতরে এক টুকরো করে কাগজ। কাগজে কতগুলো চিহ্ন দেয়া। যোগ চিহ্ন, বৃত্ত, চতুর্ভুজ, বহুভুজ, হাবিজাবি আর কি।
ছাত্র ছাত্রীদের সাথে নানান পাঁচ মিশালী কথা বার্তা বলার পর কথা প্রসঙ্গেই জিজ্ঞেস করা হল কেউ কি বলতে পারবে খামের ভেতরের কাগজে কী চিহ্ন দেয়া আছে ?
জবাব দিল সবাই।
সবাই ভুল জবাব দেবে সেটাই স্বাভাবিক। দেখা গেল বেশ কয়েকজন আছে যাদের দেয়া জবাব প্রত্যেকটাই সঠিক হয়েছে।
কী ভাবে ?
এটাইএক্সট্রা সেন্সরি পারসেপশন । বিজ্ঞানীদের মতে ওই সঠিক উত্তরদাতাদের সবারই টেলিপ্যাথি ক্ষমতা আছে।
প্রাথমিক অবস্থায় টেলিপ্যাথি নিয়ে অনেকেই গবেষণা করলেও দুইজন ছিলেন খুবই গভীর ভাবে জড়িত । ডঃ যে বি রাইয়ান, আমেরিকার ডিউক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর। অন্যজন ডঃ যে এস সোল। ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটির প্রফেসর।
সেই সময় এই দুইজন টেলিপ্যাথি নিয়ে গবেষণা করে বেশ সফল হয়েছিলেন। নাম ও কামিয়েছিলেন বেশ। এবং অনেকে মনে করে এই বিষয়টা নিয়ে গবেষণা করে বহু দূর পর্যন্ত এগিয়েছিলেন তারা।
সে সময় রাশিয়ান আর আমেরিকান মিলিটারি অথরিটি বিভাগের উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তারা, যুদ্ধের নতুন অস্ত্র হিসাবে টেলিপ্যাথি জিনিসটা ব্যবহার করা যায় কি না সে ব্যাপারে গবেষণা চালিয়েছিলেন। গোপনে। এবং গোপন বিদ্যা হিসাবে বেশ জনপ্রিয়তা পায়।
একটা সময় দেখা যায় বহু দেশই তাদের যুদ্ধ বিদ্যার সাথে টেলিপ্যাথি ব্যবহারের চেষ্টা করছে।
এত গল্প বলার দরকার ছিল না।
বলা হল কারন বহু লোক দাবী করেছে ফ্লাইং সসারের যাত্রীদের সাথে তাদের অদ্ভুত রকমের মানসিক যোগাযোগ হয়েছে। মানে যারা যারা ফ্লাইং সসারের মুখমুখি হয়েছে , দেখা গেছে পরবর্তী কালে আশ্চর্য ভাবে তাদের টেলিপ্যাথি ক্ষমতা বেড়ে গেছে।
ব্যাপারটা ভুয়া নয়। সত্যি।
কারন কী ?
আর এর ব্যাখ্যা কি হতে পারে ?
একটা বা দুটো নয় । অসংখ্য রেকর্ড আছে এই ব্যাপারে।
এমন কি যারা একবার UFO এর মুখোমুখি হয়েছিল তারা অনেকবার বলে দিতে পেরেছে পরবর্তী সময় আবার কোথায় কখন UFO দেখা যাবে ।
এবং ফ্লাইং সসারের ভেতরের বর্ণনা তারা যেমনটা দিয়েছিল সেই বর্ণনাও হুবহু একই রকম। সবার ।
ফ্লাইং সসারের যাত্রীদের সাথে পৃথিবীর বাসিন্দাদের যোগাযোগ নিয়ে অনেকেই বেশ কিছু বই পত্র লিখেছিল। তাদের মধ্যে জর্জ অ্যাড্যামস্কি আর ব্যাথিউরাম নামে দুইজন বেশ বিখ্যাত।
আজ আমরা ফোন, রেডিও , অধুনা লুপ্ত টেলিগ্রাফের সাহায়্যে মনের ভাব আদান প্রদান করছি। যোগাযোগ করছি। বিজ্ঞানীদের মতে বিবর্তনের এক পর্যায়ে আমরা হয়তো টেলিপ্যাথির মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করব। শুনতে সায়েন্স ফিকশন গল্প মনে হলেও সম্ভবনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
তো , সেই ভিন গ্রহের মানুষেরা কি আমাদের সাথে টেলিপ্যাথির মাধ্যমেই যোগাযোগ করার চেষ্টা করতো ? যতবার ওরা পৃথিবীতে এসেছিল ।
হয়তো তাই।
চেষ্টা করেছে বারবার। খুব একটা সফল হতে পারেনি। সেইজন্যই কী আজকাল ওরা আর আসছে না আগের মত ?
টেলিপ্যাথিই কি মহাজাগতিক ভাষা ?
ছয়
জানালার ওপাশে
হতে পারে UFO আসে ভিন গ্রহ থেকে। বহু দূরের কোন অজানা নক্ষত্র সভ্যতা থেকে । অথবা ভিন্ন কোন ডাইমেনশন থেকে। আমাদের চেনা পৃথিবীর অচেনা কোন সময় থেকে।
ওরা আসে।
এটা প্রমাণিত সত্য।
যেখান থেকেই আসুক ওরা আসে।
গত পঞ্চাশ বছরের হিসাব দেখলে UFO দেখা গেছে সব জায়গাতেই। অ্যাটমিক রিসারস স্টেশন , মিলিটারি ইনসটিটুড , বিমান বন্দর, সমুদ্র, জলাভূমি, নদী, শহর । হাসপাতাল। স্কুল, খামার, সরকারী গোপন প্রতিষ্ঠান ।
সব জায়গাতেই ওরা উড়ে বেড়িয়েছে।
যেন নজর রাখছে আমাদের উপর। আমাদের যান বাহন গুলোর সাথে সাথে উড়ে বেড়িয়েছে ওরা। বিমান , গাড়ি, জাহাজ, মহাকাশ যান সবগুলোর পাশে থেকে দেখেছে ওই গুলোর গতিবিধি। ঠিক যেন কোন জরিপ কাজে অংশ গ্রহণ করেছিল ফ্লাইং সসারগুলো।
তারচেয়ে বড় কথা ওরা আসে হঠাৎ করে। আবার মিলিয়ে ও যায় হঠাৎ করে। ভূতের মত।
সেইজন্যই হাওয়াইনরা UFO- কে বলতো আকুয়াটিলা। আকাশের জ্বলন্ত ভূত । আবার সাইবেরিয়ার প্রাচীন আদিবাসীরা বলতো তাগাদি। এর অর্থ ও আকাশের জ্বলন্ত ভূত ।
আচমকা কোথায় গায়েব হয়ে যায় এই UFO গুলো ?
কোন কোন বিজ্ঞানীদের মতে আকাশ পথের কোন একটা জানালা দিয়ে আসে ওরা।
আকাশ পথের অদৃশ্য জানালা ?
শুনতে যত আজগুবি বা সায়েন্স ফিকশন মার্কা হোক থিউরিটা অনেকেরই দারুন পছন্দ। আর কে না জানে আজকে যেটা বিজ্ঞান কল্পকাহিনি আগামি কাল সেটাই সত্য ঘটনা । জুলভার্ন, আর এইচ, জি, ওয়েলসের অনেক কাল্পনিক গালগল্পই পরে বাস্তব হয়েছে।
তারপরও আকাশ পথের অদৃশ্য জানালা শুনতে কেমন যেন।
পৃথিবীর দুই দুইটা এলাকায় UFO দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি।
ঘন ঘন।
জায়গা দুটোর প্রথমটা হচ্ছে মেক্সিকোর উপসাগর। আরেকটা সেই বিখ্যাত বারমুডা ট্রায়াঙ্গল । আরেকটা জায়গা তেমন বিখ্যাত না হলেও বেশ পরিচিত। ডেভিলস ট্রায়াঙ্গল বলে সবাই। জাপানের কাছাকাছি। প্রশান্ত মহাসাগরেই।
অতি প্রাচীন কাল থেকেই জাপানী জেলেরা এই জায়গাটাকে বলত শয়তানের সাগর। এড়িয়ে চলত যথা সম্ভব।
ডঃ জন এ কিল নামের এক বিজ্ঞানী লক্ষ্য করেছেন , আরও কিছু জায়গা আছে যেই জায়গাগুলো ফ্লাইং সসারদের খুবই পছন্দের জায়গা। খুব ঘন ঘন দেখা যেত ওদের । আরও একটা মিল আছে, জায়গাগুলো ভূমিকম্প প্রধান এলাকা।
UFO সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে- লেক টিটিকাকা , কারাকাস, পেরু, বলেভিয়া। ক্যালিফোনিয়ার সানফ্রান্সিসকো , যেখানে ১৯৭০ সালের ভূমিকম্পে সত্তর হাজার মানুষ মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।
ব্র্যান্ড স্টেইনারের মত বিজ্ঞানী বলেন, সত্যি সত্যি পৃথিবীর কিছু কিছু জায়গা আছে, যেখানে পৃথিবীর মাত্রা কাজ করে না। মনে হয় ভিন্ন জগতের প্রবেশ পথ ওগুলো । বা ভিন্ন ডাইমেনশনের মিলিত হবার স্টেশন।
প্রাচীন অনেক আদিম জাতি ওইগুলোকে স্বর্গীয় দরজা বলতো।
আজকালকার বিজ্ঞানীরা উইন্ডো এরিয়া বলে। অনেকে বলে ভোরটেক্স । এই জানালা ছড়িয়ে আছে সর্বত্র। এমন কি হিমালয়ের উচু চুড়াতেও । আছে গোবি মরুভূমিতে।
এই জায়গাগুলোতে সব সময় শক্তিশালী ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড কাজ করে। কেন আর কিভাবে এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় আজও জানা যায়নি।
ব্যাখ্যা করতে পারেনি কোন বিজ্ঞানী।
আইভান স্যানডারসনের মতে, এই ইলেকট্রন ম্যগনেটিক ফিল্ডের ওপাশেই রয়ছে অচেনা এক পৃথিবী। পৃথিবীর মিরর ইমেজ ।
এবং এর সাথে কোন না কোন ভাবে UFO এর আসা যাওয়ার সম্পর্ক আছে। এই জায়গাগুলোর আকৃতি প্রায় লজেন্স আকৃতির। পুরোপুরি ত্রিভুজ না। এমন কি বিখ্যাত বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের আকারও পুরাপুরি ত্রিভুজ আকৃতির না। লজেন্স আকৃতির। মোট দশটা এই রকম উইনডো এরিয়ার তালিকা বানিয়েছেন স্যানডারসন।
এর মধ্যে তিনটে হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি উত্তর ল্যাটিচুড লাইনের আশে পাশে। বাকি তিনটে ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি দক্ষিণ ল্যাটিচুডের আশে পাশে। মোট দশটা হলেও কাকতালীয় ভাবে ওইগুলো পৃথিবীর একদম বিপরীত পাশের একদম একই বিন্দুতে অবস্থিত।
ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত রকমের।
স্যানডারসনের এই তালিকাটা কোন রকম ফ্যান্টাসি নয়।
বাস্তব সত্য।
গত একশো বছরের নানান রেকর্ড ঘেঁটে দেখা গেছে এই এলাকাতে নানান সময়ে হারিয়ে গেছে হাজার হাজার মানুষ। নিখোঁজ হয়ে গেছে অগুনতি জাহাজ বিমান সাবমেরিন। কখনও কখনও কিছু জাহাজ খুঁজে পাওয়া গেলেও সেগুলো ছিল শূন্য।
যাত্রী বিহীন।
আর এই উইন্ড এরিয়া দিয়ে ফ্লাইং সসারের আনাগোনা অন্য কিছুর ইঙ্গিত দেয়।
সাত
দেবতাদের বিমান
তো, বুঝলাম উড়ন্ত সসার হতে পারে ভিন গ্রহের বাসিন্দাদের উন্নত মানের যান। অথবা পৃথিবীর সামাজ্যবাদী কোন দেশের সামরিক বিভাগের গোপন গবেষণার ফসল। অথবা ভিন্ন কোন ডাইমেশন থেকে ছিটকে আসা মহাকাশযান । যেগুলো আমরাই বানিয়েছি। আজ থেকে শত শত কিংবা হাজার হাজার বছর পর।
আরও একটা জিনিস জানলাম , আমাদের পূর্ব পুরুষদের কাছে আকাশের এই বাহনগুলো মোটেও নতুন কিছু নয়। পৃথিবীর প্রতিটা দেশের আদিম মানুষের গাল গল্পে আকাশের বাহন বা আগুনের রথের গল্প রয়ে গেছে।
এমন কি এসকিমদের পুরাণে পর্যন্ত লেখা আছে- পিতলের পাখির ভেতরে করে এস্কিমোরা পৌঁছেছিল বরফের দেশে।
আদিম মহাকাশ যানের সবচেয়ে বেশি জ্যান্ত প্রমাণ পাওয়া যায় প্রাচীন ভারত বর্ষে। ওদের পুরাণে, মহাকাব্যে, গুহাচিত্রে সব যায়গায় ঘুরে ফিরে এসেছে আকাশ যানের কথা। বলা হয়েছে উড়ন্ত রথ বা বিমানের কথা ।
কোন সন্দেহ নেই বিমানের সবচেয়ে পুরানো আর নিখুঁত বর্ণনা সমৃধ পুস্তক রয়ে গেছে প্রাচীন সংস্কৃত ভাষায়। বিমান বিদ্যার উপর সবচেয়ে পুরানো পাঠ্য বইও রয়ে গেছে প্রাচীন সংস্কৃত ভাষায়। সংখ্যায় একশোর ও বেশি হবে। অদ্ভুত হলেও সত্য যার বেশির ভাগের খবরই আমরা জানি না।
অনুবাদও করা হয়নি ভিন্ন কোন ভাষায়।
সবচেয়ে জনপ্রিয় বইটার নাম বৈমানিক শাস্ত্রম। লেখক ভরদ্বাজ মুনি। মহাভারতের কৌরব পাণ্ডবদের শিক্ষাগুরু দ্রোণাচার্যের পিতা।
ঋকবেদেই বিমান শব্দটা প্রথম পাওয়া যায়। যার অর্থ - আকাশের ধাতব যান। স্বর্গের দেবতারা ঘুরে বেড়ায় যাতে।
মহর্ষি ভরদ্বাজ মুনি তার বৈমানিক শাস্ত্রম গ্রন্থে তিন ধরনের বিমানের কথা উল্লেখ করেছেন।
১। কিছু বিমান শুধু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতাযাত করে।
২। কিছু বিমান এক দেশ থেকে অন্য দেশে।
৩। কিছু গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে।
বৈমানিক শাস্ত্রম বইটা পড়লে অবাক হতে হয়। ওখানে যুদ্ধ বিমানের যে বর্ণনা দেয়া আছে , সেটা যেন একেবারে আধুনিক যুগের এয়ার ফোর্সের পাঠ্য বই। অথবা সেই যুগের বিজ্ঞান কল্প কাহিনি।
যুদ্ধ বিমান কিভাবে আকাশে স্থির ভাবে ভাসিয়ে রাখতে হবে সেই বর্ণনা আছে। কিভাবে আকাশে অদৃশ্য হয়ে যেতে হবে তার নিখুঁত বর্ণনা আছে। শত্রুপক্ষের বিমানের গতিবিধির উপর কিভাবে নজর রাখতে হবে তার বর্ণনা আছে। শত্রুপক্ষের বিমানের ভেতরে কী কথা বার্তা হচ্ছে সেগুল কিভাবে দূর থেকে বসে শুনতে হবে তার বর্ণনা আছে।
এমন পদ্ধতির কথা লেখা আছে , নিরাপদ দূরত্বে নিজেদের বিমানে বসে
শত্রুপক্ষের বিমানের ভেতরে কি কি আছে দেখা যাবে ।
অদ্ভুত না ?
আরও লেখা আছে, নিজেদের বিমানে বসে দূর থেকে কিভাবে শত্রুর বিমান ধ্বংস করা যায়।
শত্রুর চখে ফাঁকি দিয়ে কিভাবে নিজেদের বিমান নিয়ে পালান যায়।
অস্ত্র ব্যবহার করে কিভাবে শত্রু পক্ষের বিমানের যাত্রীদের অজ্ঞান করা যায়।
কি ঐসব ?
বিজ্ঞান কল্পকাহিনি ?
এত আধুনিক !
জনপ্রিয় মহাকাব্য রামায়ণে বিমানের কাহিনি এসেছে অসংখ্যবার।
রাবনের ছিল এক বিমান। আকাশে উড়ত। কঠোর পাহারায় রাখা হত সেই বিমান। বিমানের মালিক ছিল আসলে রাবণের ভাই কুবের। জোর করে সেটা রাবণ নিয়ে গেছে।
ভয়াল গর্জন করে সেই বিমান আকাশে উড়ত। জ্বালানি ছিল পারদ, প্রাণীর তেল , আর অচেনা হলুদ রঙের তরল।
ঋগবেদে লেখা আছে ঐসব বিমান চালাতে ঘোড়ার প্রয়োজন হত না। শুধু মাত্র দেবশিল্পীরা ঐসব বিমান বানাতে বা মেরামত করতে পারত। তাদের বলা হত ঋভু।
বিমানের সারথি থাকবে তিনজন। একজন বিমান চালাবে বাকি দুইজন সাহায্যকারী ।
অচেনা ধাতু দিতে তৈরি হত বিমান। তবে সোনালি বা রুপালি প্রলেপ দেয়া থাকতো শরীরে।
রামায়ণে বিমানের বর্ণনায় লেখা আছে- বিমানের যাত্রীদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা ছিল। বসার আসনেরর ডানে বায়ে ছিল ছোট ছোট জানালা। বাইরের দৃশ্য দেখার জন্য !
বিমান মাটিতে নেমে এলে যাত্রীদের নামার জন্য স্ফটিকের সিঁড়ি বের হয়ে আসতো বিমানের ভেতর থেকে।
আর এই বিমান চলত পবন বেগে মানে বাতাসের বেগে !
শুধু মাত্র সারথি জানবে বিমান উড়ানোর কৌশল। এই কৌশলের সংখ্যা বত্রিশ। একজন সারথিকে বিমান চালানোর আগে দীর্ঘ সময় গোপন বিদ্যা অর্জন করে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। দুর্গম স্থানে বিমান নামানোর কৌশল জানতে হবে। শূন্যে বিমান ধ্বংস হয়ে গেলে সে নিজে যাতে নিরাপদে মাটিতে নেমে আসতে পারে সে ব্যাপারে জ্ঞান থাকতে হবে।
বৈমানিক শাস্ত্রম বইতে আরও কিছু অদ্ভুত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন ভরদ্বাজ মুনি।
১। আকাশের বায়ুর বিভিন্ন স্তর। এই বিভিন্ন স্তরে আলাদা কায়দা করে বিমান চালাতে হয়। এবং শত্রুর চখে ধুলা দিয়ে লুকিয়ে থাকার কায়দা।
২। পিছনে কোন বিমান অনুসরণ করে আসছে কি না সামনের আসনে সারথি বসে কিভাবে বুঝতে পারবে তার বিশদ বিবরণ। বিদ্যুৎ আর বায়ু শক্তি ব্যবহার করে কিভাবে বিমানের গতিবেগ বাড়ানো যায় সেই ব্যাপারেও বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
৩। কিভাবে শক্তি নিয়ন্ত্রন করে আকাশে বিমান উড়ানো যায় এবং কাজ শেষ হলে সমস্ত শক্তি প্রবাহ বন্ধ করে বিমানটাকে নির্জন স্থানে অচল করে রাখা যায় সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ভরদ্বাজ মুনি।
৪। রুপপ্রকাশনা পদ্ধতিতে বর্ণনা আছে , কিভাবে বিমান বসে শত্রুর বিমানের ভেতরের দৃশ্য পরিষ্কার ভাবে দেখা যায়।
৫। শাব্দিক পদ্ধতিতে কিভাবে বিমান থেকে ওষুধ ছিটিয়ে শত্রু পক্ষের বিমানের ভেতরের সবাইকে অজ্ঞান করে ফেলা যায়।
৬। চপল পদ্ধতিতে নিজের বিমানে শক্তিশালী বায়ুর তরঙ্গ তৈরি করা যায়। ওতে শত্রু পক্ষের বিমান দিকভ্রম হয়ে পথ হারিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে।
৭। পরিশব্দ গ্রাহক পদ্ধতিতে উড়ন্ত বিমানের ভেতরে বসে থাকা শত্রুর কথোপকথন শোনা যাবে।
অদ্ভুত এই পুঁথিতে লেখা আছে আকাশের গোপন পথের কথা। যেখান দিয়ে সাতটি ভিন্ন পৃথিবীতে যাওয়া যাবে।
ভিন্ন পৃথিবীকে লোক (Loka) হিসবে লেখা হয়েছে।
ভিন্ন লোকগুলো হচ্ছে। ভূলোক , যেটা আমাদের পৃথিবী। ভূব লোক। সুভলোক। জ্ঞান লোক। তপলোক । সত্য লোক। মহঃলোক।
এই সাতটা ভুবনে যাবার ভিন্ন ভিন্ন পথের কথা বর্ণনা করা হয়েছে যে পড়তে গেলে আধুনিক পাঠকের মনে রোমাঞ্চ জাগায়।
বিমানের ভেতরে যে ভিন্ন ধরনের খাবার দেয়া হয় তার বর্ণনা দেয়া আছে। বিমানে উঠার আগে কি ধরনের পোশাক পরিধান করতে হয় তার বর্ণনা দেয়া আছে। পরিষ্কার লেখা আছে, মাটির পৃথিবীতে আমরা যে ধরনের পোশাক পরিধান করি সেই ধরনের পোশাক পরে বিমানে আরোহণ করা যাবে না।
বিমানের ভেতরে ধাতুর দেয়াল আর ছাদের নিখুঁত বর্ণনা আছে। বিমানের অদ্ভুত কাচের কথা লেখা আছে। যেটা দিয়ে আকাশে উড়ার সময় মাটির পৃথিবীর মানুষ, শহর , বন্দর , নগর ঐসব পরিষ্কার আর বড় করে দেখা যায়।
বিমানে থাকা আয়নার কথা বলা আছে। যেটা দিয়ে যত দূরে শত্রুর বিমান থাকুক না কেন বিন্দুর মত হলেও দেখা যাবে!
বৈদিক যুগে ঋষিরা তাদের আশ্রমে শিষ্যদের শিক্ষা দিতেন - ঐসব বিমানে চেপে লোক থেকে লোকান্তরে যাওয়া যায় অনায়াসে। পুরাণে বেদে, রামায়ণে , মহাভারতে বিমান শব্দটা জলভাতের মত। এত অহরহ ব্যবহার করা হয়েছে মনে হতেই পারে লেখকরা এই জিনিসটা মোটেও অদ্ভুত কিছু মনে করতেন না। এই রহস্যময় উড়ন্ত বাহনগুলো তাদের আটপৌরে জীবনের সাথে মিশে ছিল।
অমন গাল গল্প আছে , আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট যখন ২০০০ বছর আগে ভারতবর্ষ আক্রমণ করতে এসেছিলেন তখন আচমকা কোন কারন ছাড়াই তার সৈন্যবাহিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে। সৈন্যদের সব ঘোড়া পাগলের মত আচরণ করতে থাকে।
ঠিক তখনই আলেকজান্ডার আর তার সৈন্য বাহিনি দেখতে পায় উড়ন্ত চকচকে একটা ঢাল আকাশ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনার পর আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট ফিরে যান। ভারতবর্ষ আক্রমণ করার সাহস হারিয়ে ফেলেছিলেন। আলেকজান্ডারের এই প্রত্যাবর্তন বিরাট একটা রহস্য ইতিহাসবিদদের কাছে। আজও।
কী দেখেছিলেন এই বীর ?
কি হয়েছিল আসলে ?
মহাভারতের আরেক রাজা শাল্ব।
রাজা শিশুপালের বন্ধু ছিলেন এই শাল্ব।কৃষ্ণ যখন হস্তিনাপুরে, বন্ধুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে শাল্ব তার উড়ন্ত রথে চড়ে আক্রমণ করেন কৃষ্ণের দ্বারকা নগরী। আকাশের উপর থেকে আগুনের কুণ্ড ফেলে ধ্বংস চালিয়ে যান রাজা শাল্ব। তার আক্রমণে অসংখ্য যাদব নিহত হয়। সেই রথের নাম ছিল সৌরভ। হঠাৎ করে এসে আক্রমণ চালিয়ে আবার আকাশে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারতেন শাল্ব।
সেই রথ থাকতে পারত পাহাড়ের চুড়ায়। অথবা সমুদ্রের মাঝে এক টুকরো কাঠের মত ভাসমান অবস্থায়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার পাইলটবিহীন বোমারু বিমানের পরীক্ষা শুরু করে। এই বিমানগুলো একা একাই শত্রুপক্ষের সেনার উপর বোমা নিক্ষেপ করে আবার ফিরে আসবে বন্দরে।
মহাভারতের দ্রোণ পর্বেও অমন বর্ণনা আছে। সারথী বিহীন রথ উড়ে এসে যুদ্ধক্ষেত্রে আগুনের কুণ্ড , জ্বলন্ত ধাতু, গরম পাথরের টুকরো ফেলে দেবে। শত্রুসেনাদের ধ্বংস করে আবার ফিরে যাবে নিজের শিবিরে।
সত্যিই কি অমন কোন উড়ন্ত বাহন ছিল সেই বৈদিক যুগে ?
এ ও কি সম্ভব ?
নাকি সবই কাহিনিকারের কল্পনা ?
সেই যাত্রীশূন্য রথগুলো ছিল গোলাকার। তরল পারদের মত জিনিস ছুড়ে মারত শত্রুপক্ষের উপর। সেই তরলে জ্বলে যেত ভূমি। নীলচে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠে যেত আকাশে। দশ হাজার সূর্যের তাপের মত উত্তাপ সৃষ্টি হত । পুড়ে ছাই হয়ে যেত সৈন্যরা। যারা নিরাপদ দূরত্বে থাকতো তাদের চুল। নথ সব খসে পড়ত। দীর্ঘ দিন যন্ত্রণায় ভুগে ভুগে মারা যেত সেই চুল আর নখ খসে পরা মানুষগুলো।
এমন কি যাদের হাতে লোহার অস্ত্র থাকতো তারাও সেই আক্রমণের শিকার হত।
আজও ভারতের নানান যায়গায় আর গোবি মরুভূমিতে অদ্ভুত রকমের কাচের টুকরো খুঁজে পাওয়া যায়। এই রকম কাচের টুকরো শুধু পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের পর প্রচণ্ড উত্তাপের ফলে বালি গলে তৈরি হয়। দেখে মনে হয় যেন সুদূর অতীতেও পারমাণবিক বোমার ব্যবহার করা হয়েছিল আমাদের এই শ্যামল গ্রহে।
ইটালিয়ান বিজ্ঞানী ডঃ রবার্টো পনটি দীর্ঘদিন ধরে প্রাচীন ভারতীয় পুঁথিগুলো নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। তার মতে বিমানের যে বত্রিশটা গোপন রহস্যের কথা বলা হয়েছে সেইগুলোর সাথে আধুনিক এয়ার ফোরসের প্রায় সব কিছুই মিলে যায়।
রাডারের নিখুঁত বর্ণনা। সোলার এনার্জির সাহায্যে বিমান চালান, ফটোগ্রাফির মত আধুনিক প্রযুক্তির প্রাঞ্জল বর্ণনা আছে প্রাচীন এই পুঁথিগুলোতে।
যা আমাদের আধুনিক মনে সত্যি ভাবনার খোরাক যোগায়।
ত্রিপুরা বিমান , যা শুধু মাত্র সূর্যের আলোতে চলে। শকুন বিমান যেন আধুনিক জেট বিমান। অল্প যায়গায় নামতে পারে। আচমকা উড়ে যেতে পারে। অন্য কিছু বিমান মাটিতে নেমে গেলেও দৌড়ে খানিকটা সামনে চলে যায়। রানওয়েতে দৌড়ানোর মত যেন...।
বিজ্ঞানী রবার্টো পনটির মতে প্রাচীন এই বিমানগুলো হতেও পারে UFO এর মত কোন যান। বর্ণনাতে সেই রকমই মনে হয়। হতে পারে ভিন গ্রহের বাসিন্দাদের সাথে কোন ভাবে যোগাযোগ হয়ে গিয়েছিল তখনকার কিছু বাসিন্দাদের। সেখান থেকেই রপ্ত করেছিল বিমান তৈরির বা ব্যবহারের কলা কৌশল।
মাদ্রাজ বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ ভি রাঘবন , প্রাচীন ভারতের অব্যাখ্যাত রহস্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন দীর্ঘ দিন ধরে। তার মুখ থেকেই শুনুন-
‘ দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে ভারতের পুরানো বইপত্র পুঁথি ঘেঁটে আমার মনে হল, খৃস্টপূর্ব চার হাজার বছর আগে ভিন গ্রহ থেকে এক দল আগন্তুক এসে পৃথিবীতে দীর্ঘ সময়ের জন্য বসবাস করেছিল। এই জন্যই আমাদের অতীত ইতিহাস ঘাঁটলে এত ব্যাখ্যাতীত ব্যাপার নজরে আসে। নইলে বেদ আর পুরাণ ভর্তি এত এত সায়েন্স ফিকশনের উপাদান থাকবে কেন ?
কেন এত রহস্যময় অস্ত্র আর বাহনের কথা বারবার লেখা থাকবে ?
যেই সব আমরা কিনা মাত্র আবিস্কার করা শুরু করেছি।
মহাভারতে লেসার গানের এত নিখুঁত বর্ণনা দেয়া সম্ভব হল কেমন করে ?
এমন অস্ত্রের কথা লেখা হল কেন যেটা ব্যবহার করলে শত্রুপক্ষ ঘুমিয়ে পড়বে ?
এমন অস্ত্রের বর্ণনা হল কেমন করে যেটা ব্যবহার করলে সেই এলাকায় টানা ১২ বছর বৃষ্টিপাত হবে না ? কোন রকম ফসল জন্মাবে না।
যুধিষ্ঠিরের রথের চাকা নাকি কক্ষনই মাটি স্পর্শ করতো না। ভীমের রথ যাত্রা শুরু করলেই উজ্জ্বল আলো ঝলসে বের হত রথের পেছন দিক থেকে। গর্জন হত যেন হাজার বজ্রপাত এক সঙ্গে হচ্ছে !’
বিমান তৈরির জন্য ষোলটা বিভিন্ন ধাতুর দরকার । আমরা মাত্র তিনটে ধাতু চিনি। বাকিগুলোর নাম অনুবাদ করা সম্ভব হয়নি। আজও। এই রথ আর বিমান আসলে ভিন গ্রহের আগন্তুকদের বাহন ছাড়া অন্য কিছুই না।
প্রাচীন ভারতবর্ষ সত্যিই রহস্যময় ।
সম্রাট অশোক একটা গুপ্ত সঙ্ঘ তৈরি করেছিলেন। নাম - অচেনা নয়জন পুরুষের গুপ্ত সংঘ। সেই নয় জন মানুষের নাম জানা যায়নি কক্ষনো। এরা ছিলেন এক একজন আলাদা বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী। নয়টা ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে বই লিখেছিলেন সেই নয়জন। একটা বইয়ের নাম- ওজন শূন্যতার গোপন রহস্য। বস্তুর ওজন কিভাবে শূন্য করে বাতাসে ভাসিয়ে রাখা যায় সেই সম্পর্কে লেখা বইটা। বাকি আটটা বই ও ছিল অমন রহস্যময়।
আমাদের দুর্ভাগ্য ইতিহাসের নানান পাকচক্রে আমরা হারিয়ে ফেলেছি সেই রহস্যময় বইগুলো। বইগুলো হাতে পেলে অতীতের অন্ধকার ইতিহাস অনেকটাই উজ্জ্বল হয়ে যেত আমাদের সামনে। কে জানে কোথায় আছে সেইগুলো।
হয়তো প্রাচীন কোন গোপন লাইব্রেরীতে।
তিব্বতের লামাদের কোন গুহাতে ?
উত্তর আমেরিকার গোপন কোন সম্প্রদায়ের কাছে?
কয়েক বছর আগে তিব্বতের লাউসে প্রাচীন সংস্কৃত ভাষায় লেখা পুঁথি পাওয়া গেছে বেশ কয়েকটা। অবিশ্বাস্য কিছু ব্যাপার লেখা আছে ওতে। সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, কিভাবে মহাকাশ যান বানানো যায় সেটা তো লেখা আছেই সেই সাথে পৃথিবী থেকে চাঁদে যাবার অদ্ভুত বিস্তারিত বর্ণনাও আছে।
এই পুঁথিগুলোর বয়স কয়েক হাজার বছরের চেয়েও বেশি।
কেন মহাভারতে লেখা ? - রাতের আকাশে কত রহস্যময় যান্ত্রিক যান ছুটে বেড়ায়। ওদের উজ্জ্বল হলুদ আলো দেখে চেনা যায়...।
হিন্দুদের পুরাণে কেন লেখা আছে- মহাশূন্যের নক্ষত্রে নক্ষত্রে রয়েছে জীবের বসতি।
এদের মধ্যে চার লক্ষ জীব মানুষের প্রজাতির। আট লক্ষ ভিন্ন প্রজাতি।
মানে কি এর ?

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন