প্রথম ঘটনা: লর্ড টোফেল প্রচুর রোজগার করেছিলেন জীবনে। তারপর আততায়ীর হাতে খুন হন তিনি। খুনের সময় মাত্র একজনকেই জানিয়ে গেছিলেন টাকা কোথায় আছে।
জাম্প কাট
দ্বিতীয় ঘটনা: লুনা বিবাহবিচ্ছিন্না। লর্ড টোফেলের বাড়িটা কিনে রুগ্ন মেয়ে সারাকে নিয়ে চলে এসেছেন এখানে। দালাল এর আগেই দেখিয়েছে এ বাড়ির বিশেষত্ব: তিন তলার স্টেনলেস স্টিলের নিরাপদ কামরা তথা সেফ রুম।
তৃতীয় ঘটনা: তিনজন অপরাধী। একজন জানে লর্ড টোফেলের টাকা কোথায় আছে, অন্যজন অস্থিরমতি খুনী। তৃতীয়জন জীবনে কোনো অপরাধ না করা সিন্দুকের যাদুকর। তারা উপস্থিত হয়েছে লর্ড টোফেলের বাড়ির সামনে।
উদ্দেশ্য?
লর্ড টোফেলের টাকা হাতানো! কিন্তু সে বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে বাড়িতে লোকজনের উপস্থিতি দেখে সকলেই হতবাক।
এখান থেকেই শুরু হয় গল্প। লুনা মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে লুকোয় সেফ রুমে। অন্যদিকে অপরাধীরা বাড়ি তোলপাড় করছে।
অবশেষে কী হল?
মাত্র একটা রাতের ঘটনা নিয়ে এক অসাধারণ সিনেমা দ্য প্যানিক রুম। পরবর্তী কালে সেই ছবি নিয়েই বই হয়। লিখেছিলেন জেমস ইলশন ও ডেভিড কুপ। তার এক অসম্ভব সুন্দর অনুবাদ করেছেন লেখক মিলন গাঙ্গুলী। কোথাও মনে হয়নি যে লেখাটা আড়ষ্ট। কিছু কিছু জায়গায় বাংলাদেশী কিছু কথার টান কানে লাগলেও সেটা ইগ্নোরেবল। লেখকের লেখনী আরও এগিয়ে যাক, এই কামনা রাখি।
লেখক- দীপ্তজিৎ মিশ্র

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন