বিটিভিতে তখন ‘বহুব্রীহি’ নামের একটি ধারবাহিক নাটক চলছে। বাংলা সাহিত্যের জনৈক অধ্যাপক আমাকে টেলিফোন করে বললেন, আমার কাজের মেয়ে আপনার এই নাটক মন দিয়ে দেখে। কাজের মেয়ের মন জয় করাও খারাপ না।
তোমাদের জন্যে ভালোবাসা নামের একটা সায়েন্স ফিকশন লিখেছিলাম। মনে হয় বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী। বইটি পড়ে সাহিত্যের এক অধ্যাপক বললেন, লেখার আগে কি গাঁজায় দম দিয়ে নিয়েছিলেন? গাঁজায় দম না দিয়ে এই জিনিস লেখা যায় না।
আমার চামড়া মোটা এবং খসখসে বলেই মনে হয় কোনো অপমান আমার গায়ে লাগে না। তবে কোনো অপমানই আমার গায়ে লাগে না কথাটা ভুল বললাম। ছেলেমেয়ের অপমান গায়ে লাগে।
আমার মেজো মেয়ে শীলা ইকনমিক্সে প্রথম শ্রেণীতে এম এ ডিগ্রি পাওয়ার পর তাকে মিষ্টি এবং ফুল পাঠালাম। সে তা ফেরত পাঠাল। সঙ্গে একটা চিঠি— ভুল করে মিষ্টির প্যাকেট খুলে একটা মিষ্টি খেয়ে ফেলেছি। সরি।
সব মানুষকে তার দীর্ঘ বা স্বল্প জীবনে নানান অপমানের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। অপমান আগুণের মতো, মানুষকে শুদ্ধ এবং পবিত্র করে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন