ডাইনিদের জীবন বড় বিচিত্র।
খুব ব্যস্ত থাকে ডাইনিরা। সারাক্ষণ।
সব সময় পঞ্জিকা দেখে কাজ করে।
কারন অমাবস্যা রাতে ওরা জাদুর পাঁচন বানায়। আর পূর্ণিমা রাতে ঝাড়ুতে করে উড়তে যায়। চাঁদের আলোতে এই ঝাড়ু কাজ করে। মুনলাইট পাওয়ার বলে না বিজ্ঞানীরা ? সেটাই।
আর এই ঝাড়ু শলার বা ফুলের ঝাড়ু না। বিভিন্ন লতাপাতা আর শুকনো গুল্ম দিয়ে বানানো ঝাড়ু।
সচরাচর লোকনাথ ফুল পঞ্জিকাটাই ব্যবহার করে।
টাকা কম থাকলে হাফ পঞ্জিকা কেনে। গরিব মানুষ যেমন দোকানে গিয়ে হাফ প্লেট বিরিয়ানির অর্ডার দেয়, তেমনই।
আমি শুনেছি অনেক ডাইনি মায়ানদের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে। ঐ ক্যালেন্ডারের একটা সুবিধা এক ক্যালেন্ডার পাঁচ হাজার বছর চলে। বেশ কাজের জিনিস।
শুধু মাত্র পূর্ণিমা রাত্রে ওরা স্নান করে। জামা কাপড় কেঁচে জোছনার আলোতে শুঁকাতে দেয়।
বই পড়ে। ডায়েরি লেখে। গোলাপের শুকনো কুড়ি দিয়ে চা খায়।
খারাপ ডাইনিরা যার ক্ষতি করতে চায় তার নাম একটা কালো কাগজে লিখে, টকটকে লাল খামের ভেতরে ভর্তি করে পুড়িয়ে ফেলে। ওরা আরেকটা কাজ করে,মোমের পুতুল বানায়।কাপড় দিয়ে ভুডু পুতুল বানিয়ে শত্রুকে অবর্ণনীয় কষ্ট দেয়।
কত খারাপ !
মূলত গাউনের কাপড় পরে উনারা ।
শীতে কালো চাদর থাকতে পারে। খুব যদি বুড়ি হয় তবেই। আর মাথায় তিনকোণা ত্রিভুজ টুপি থাকবেই।
শীতকালে উাইনিরা ফুটপাথ থেকে কালো রঙ্গের পুরানো উলের বল কিনে আনে । উলের কাটা নিয়ে বসে বসে চাদর বা বিড়ালের জন্য সোয়েটার বানায়।
একবার শুধু একটা ডাইনিকে গলায় মাফলার জড়াতে দেখেছিলাম। কারন রাস্তার ধারের বেলের শরবৎ খেয়ে ওর টনসিল হয়েছিল।
ব্যাপারটা দুঃখজনক।
কালো কুচকুচে একটা হাড়ি লাগবেই। জড়িবুটি জ্বাল দেয়ার জন্য।
ডাইনিদের এই কালো কুচকুচে পেল্লাই সাইজের হাড়িটা কিসের তৈরি ? এটা কি মাজা ঘষা করে না ? সেইজন্য কালো দেখায় ?
কবির ভাষায় ' অজ্ঞতা মানুষকে ভুল পথে ধাবিত করে । '
সেইজন্য তোমাদের বলছি। যাতে ধাবিত না হও।
ভণ্ড তাবিজ বিক্রেতারা বলে ডাইনিদের হাড়িটা অষ্টধাতুর তৈরি। ডাহা মিথ্যা কথা।
কার এত ঠেকা পড়েছে আট রকমের লোহা লক্কড় পিটিয়ে এইসব জিনিস বানানো ?
এই পাতিলটা লোহার তৈরি। ইংরেজিতে বলে ক্যালড্রন (cauldron) । উইলিয়াম শেক্সপীয়ার সাহেব তার ' ম্যাকবেথ' নাটকে পরিষ্কার লিখেছেন- ডাইনিরা ক্যালড্রন পাত্র ব্যবহার করে।
উনি মিথ্যা বলার লোক না ।
রান্না সব সময় কয়লার আগুনে করা হয়। গ্যাসের চুলা বা হিটার ব্যবহার করে না ।
গরিব ডাইনিরা মাটির হাড়ি ব্যবহার করে বলে শুনেছি।
একটা ডাইনির কাছে পিতলের হাড়ি আর কাঁসার গ্লাস দেখেছি। উনি হিন্দু ডাইনি।
চীনা মাটির কিছু পেয়ালা আর তশতরী থাকবেই । চা -পাঁচন এইসব খাওয়ার জন্য আর কি । গোলাপ আর আপেল গাছের শুকনো ডালপালা দিয়ে চামচ বানায় ।
কাচের সুন্দর বয়ামে লবণ আর চিনি সাজিয়ে রাখে। লাল চিনি ব্যবহার করে। শাদা চিনি স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ , কে না জানে ?
সবসময় এক শিশি ড্রাগনের তেল রাখে বাসায়। যদি সেই তেল তোমার উপর ছিটিয়ে দেয় তবে তুমি শেষ।
ডাইনির প্রিয় খাবার মাশরুম।
সেইজন্য বেশির ভাগ সময় ওরা বনে জঙ্গলে মাশরুম খুঁজে বেড়ায়। লালের মধ্যে শাদা বল প্রিন্টের মত যে বিষাক্ত মাশরুমটা আছে না ? ইংরেজিতে এই মাশরুমের নাম - আমানিতা মুসকরিয়া। ওটা বেশি পছন্দ করে।
পান্তা ভাতের সাথে খায়। সাথে লাল মরিচ ।
এক ঝুড়ি আপেল রাখে বাসায়। কিন্তু খায় না। সাজিয়ে রাখে। কাউকে মারতে চাইলে সেই আপেলে বিষ ভরে সুন্দর করে বলে- ও ভাল মানুষের মেয়ে। খাও না একটা পাকা আপেল।
বিশ্বাস করলে না ? হায় রে। রাজকন্যা আর সাত বামুনের গল্পটা পড়া থাকলে নতুন করে বলতে হত না।
ওরা ডায়েরি লিখতে পছন্দ করে।
নিজস্ব বর্ণমালা আছে। প্রায় সব ডাইনির কাছে ক্রিস্টালের গোল একটা বল থাকে। কালো সিল্কের কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখে সেটা। কার ভবিষ্যৎ জানতে চাইলে সেই বলের দিকে তাকিয়ে খানিক মনোযোগ দিলেই ভবিষ্যতের সব দৃশ্য দেখতে পায়।
গরিব ডাইনিরা ক্রিস্টাল বলের বদলে পেপারওয়েট ব্যবহার করে । দারিদ্র্য সর্ব গুননাশিনী ।
কালো বিড়াল ডাইনির প্রিয়। কালো বিড়াল দেখলে সাবধান।
বুঝবে তোমাদের বাড়ির আশেপাশে ডাইনি আছে।
ডাইনিরা সব ধরনের মশলা আর লতাগুল্ম আবিষ্কার করেছিল সেই প্রাচীনকালেই। ভাল ডাইনিরা আয়ুর্বেদের গুনাগুন মেনে জীবন যাপন করে। তেজপাতা ওদের প্রিয়। তেজপাতার চা পছন্দ করে। আবার দরজার সামনে তেজপাতার মালা ঝুলিয়ে রাখে।
ডাইনিরা চা অথবা পাঁচন বানানোর জন্য ভিন্ন রকম জল ব্যবহার করে। ইংরেজিতে মুন ওয়াটার বলে, মানে জোছনার জল বলতে পার।
জিনিসটা খুবই উপকারী।
বানানো খুব সহজ।
তোমাকে শিখিয়ে দিচ্ছি । ঝর্ণার জল হলে ভাল হয়, না হলে কলের জল নাও। শাদা কাঁচের বোতলে বা বয়ামে জল ভর্তি করে জোছনা রাতে চাঁদের আলোর নীচে রেখে দাও। মাত্র কয়েক ঘণ্টা রাখলেই হবে। তারপরও যত বেশি সময় রাখবে তত ভাল। হয়ে গেল মুন ওয়াটার।
ছায়া ছায়া জায়গায় রেখে দাও। সেই জলে চা বানালে খুবই ভাল হবে।
স্নান করার সময় বালতির বা বাথটাবের জলে মিশিয়ে নিলেও দারুন উপকার। খোশ পাঁচড়া হবে না।
বাগানের চারা গাছে মুন ওয়াটার দেয়া যাবে। চারা গাছ হিলহিল করে বড় হয়ে যাবে ।
পুরানো দিনের শিল্পীরা ডাইনির চেহারা সবুজ আঁকতো। এটা বাজে ধরনের অপপ্রচার। ওরা সবুজ হয় না। কিন্তু সপ্তাহে একদিন নিমপাতা , তুলসী এইসব বেঁটে মুখে রূপটানের মত দিয়ে বসে থাকে। তাতেই অমন ভুল বুঝাবুঝি।
ডাইনিদের বিড়ালগুলো ভাল দাবা খেলতে পারে। কয়েক চালেই ওরা তোমার কিস্তি মাত করে দেবে ।
অতীতে অনেক ডাইনির বাসায় সুন্দর সুন্দর দাবার ঘুঁটি বা ' দাবা খেলার নিয়ম কানুন' টাইপের বই পাওয়া গেছে।
ওরা বাদলার দিনে ব্যাঙ ধরে।
বিষাক্ত ব্যাঙ। পাঁচন বানাতে কাজে লাগে।
কালো কাক ডাইনির প্রিয়। কাকের সাথে অবসরে কথা বলে। বা নিজের আত্মীয় স্বজনদের খবর পাঠায়। ওরা তো ডাকঘরে গিয়ে চিঠি পোষ্ট করে না । বা ফোন ব্যবহার করে না।
তাই।
ওদের বাড়িতে বাদুর থাকবেই।
বাড়ির উঠানে বা বারান্দায় রোদে কাপড় শুকানোর জন্য তার ঝুলান হয় সেই তারের মধ্যে নানান সাইজের বাদুর উল্টা হয়ে ঝুলে থাকে। বাদুরের রক্ত সংগ্রহ করে চ্যাপ্টা বোতলে ভরে রাখে ডাইনিরা। উপরে সুন্দর লেবেল সেঁটে দেয়। সাথে বাদুরের ছবি। বড় বড় করে লেখা- একশো পারসেনট খাঁটি বাদুরের রক্ত।
পাঁচন বানানোর কাজে লাগে। আবার ডাইনিরা নেইল পালিস হিসাবেও সেই জিনিস ব্যবহার করে।
আমার কাছে অনেক দিন পর্যন্ত একটা শিশি ছিল।
লেবেল দেখে জেনেছি মেয়াদ উত্তীর্ণ জিনিস। আফসোস।
ডাইনিদের বাড়িতে বিদ্যুৎ বা বিজলি বাতি থাকে না সারা বছর ওরা মোমবাতি জ্বালায়। এলাকায় সবার বাসায় ঝাঁ চকচকে আলো আছে কিন্তু কোন একটা বাড়িতে যদি রোজ মোমবাতি জ্বালায় তবে বুঝবে ওটা ডাইনিদের বাসা।
এই যুগেও ডাইনিরা দেশলাই বা গ্যাসের লাইটার ব্যবহার করে না। আগের মতই চকমকি পাথর ঠুকে ঠুকে আগুন জ্বালায়।
রেললাইনের পাশে বিকেল বেলা হাঁটতে গেলে চকমকি পাথর সংগ্রহ করে নেয়।
আজকাল রেল বিভাগের লোকজন সস্তা বালি পাথর ফেলে রাখে তাই আগের মত সহজে চকমকি পাথর পাওয়া যায় না। এইসব করা ঠিক না। রেল বিভাগের লোকজন কবে যে সৎ হবে !
কালো রঙ ওদের প্রিয়।
ডাইনিদের বাড়ির আসবাবপত্র কালো রঙ্গের হয়। অনেকে ঢং করে ভিক্টোরিয়ান যুগের ফার্নিচার বলে। আসলে বলা উচিৎ ডাইনি ফারনিচারস । কিন্তু ঐ যে ভিক্টোরিয়া বললে কেমন একটু ভাব আসে।
সেইজন্য।
গোল আয়না পছন্দ উনাদের । পুরানো আয়না হলে বেশি পছন্দ করে। যত পুরানো তত ভাল ।
ডাইনিরা ঝিনুকের চিরুনি ব্যবহার করে। পরিবেশ দূষণের কথা চিন্তা প্ল্যাসটিকের কিছুই ব্যবহার করে না।
কোন কোন ডাইনি খোঁপায় লাল গাঁদা ফুল গুঁজে রাখে অমন শোনা গেলেও বাস্তবে ডাইনিরা চুল বাঁধে না। কানের কাছে নীলচে বেগুনি রঙ্গের ল্যাভেন্ডার ফুল, না পেলে জোনাকি ফুল গুঁজে রাখে।
বৈশাখের প্রথম ঝড়ে গাছ থেকে যে কচি আমগুলো খসে পড়ে ডাইনিরা সেই আম কুঁড়িয়ে নিয়ে আসে।
খনিজ লবণ, শুকনো মরিচ, শর্ষে, সামান্য হলুদ মাখিয়ে আচার বানিয়ে রোদে শুঁকাতে দেয়। কালো বিড়াল সেই আচারের বয়াম পাহারা দেয়। দারুন স্বাদের জিনিস।
টাকা পয়সা হলে আচারের কোম্পানি খুলতে পারি।
দ্যা ডাইনিস পিকেলস । ডাইনির আচার , বড় মজাদার । লেবেলে ডাইনির ছবি দিয়ে । ভালই চলবে মনে হচ্ছে ।
হাতের পাঁচ আঙুল যেমন সমান না তেমনই সব ডাইনি এক না।
সব কিছুর মধ্যে যেমন ভাগ আছে তেমন ওদের অনেক হিসাব নিকাশ করে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
১। মহাজাগতিক ডাইনি ।
এই সব ডাইনিরা রাতের রাতের বেলা ঝাড়ুতে করে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে। ক্রিস্টাল বলের দিকে চেয়ে তোমার অতীত, ভবিষ্যৎ সব বলে দিতে পারবে। বেশির ভাগ সময় ওরা ক্রিস্টাল বলের দিকে তাকিয়ে থাকে।
২। জ্যোতিষী ডাইনি ।
ওরা মানুষের হাত দেখে ভাগ্যফল বা আজকের দিনটি কেমন যাবে বলতে পারে। বিদঘুঁটে ছবিওয়ালা তাস আছে। নাম ট্যাঁরট কার্ড। সেই ট্যাঁরট কার্ড দেখে যে কোন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে।
চীন দেশের তামার পুরানো পয়সা ছুড়ে ছুড়ে ভবিষ্যতবাণী করতে পারবে। এই বিদ্যাকে বলে আইচিং।
আরও জানে টাসিওগ্রাফি বিদ্যা।
মানে এক পেয়ালা চা খাবার পর নীচে যে চায়ের পাতা পড়ে থাকবে সেটা দেখে ভবিষ্যৎ বলতে পারবে।
৩। সবুজ ডাইনি
ওরা সারাদিন বাগানে বা নার্সারিতে কাটায়। সব ধরনের গাছ বা লতা গুল্ম চেনে।
হরেক রকম ওষুধ আর পাঁচন বানায়। আমাশা হতে অরুচি সব ধরনের রোগের ওষুধ দেয়। টুকটাক জাদু জানে। শিশি ভর্তি সৌরভ মাখা নারকেল তেল বা জবাকুসুম বানায়। ওদের বাড়িতে দারুন ঘ্রাণ পাওয়া যায় সব সময়।
৪ । জলজ ডাইনি।
নদী, পুকুর ডোবা বা সাগরের কাছাকাছি থাকতে পছন্দ করে ওরা। চাঁদের জল ব্যবহার করে ওষুধ বানায়। ঝড়, বৃষ্টি , বন্যার আগাম খবর দিতে পারে। কবে কোথায় কত সেন্টিমিটার বৃষ্টি হবে সেটা বলা ওদের জন্য বাম হাতের কাজ। অসুখ বিসুখে ওদের কাজ থেকে মন্ত্রপূত জল -পড়া আনা যায় সহজেই। সারা বছর বৃষ্টির জল ব্যবহার করে ওরা।
৫। রান্নাঘরের ডাইনি।
এরা রান্নায় ভাল। সব ধরনের মশলার ব্যবহার জানে। বেশির ভাগ বিরিয়ানি বা মিষ্টির দোকানের মালিক এদের তোয়াজ করে নিজেরদের আখের গুছিয়ে নেয়। কারও বাড়িতে খারাপ আত্মা ঢুকে পড়লে এরা কচি লেবু দিয়ে তুকতাক করে খারাপ আত্মা দুর করে দেয়।
ওদের ডাইরি ভর্তি হাজার হাজার মন্ত্র লেখা।
সব ডাইনিদের বাসায় প্রচুর মাকড়সার জাল হয়ে থাকে। ভুলেও পরিষ্কার করে না। সেই জাল পাঁচন বানানোর কাজে লাগে । তাছাড়া দমকা হাওয়া যখন মাকড়সার জালের ভেতর দিয়ে হিলহিল করে বয়ে যায় তখন মিহি রকমের শব্দ হয়। ওটাই এক ধরনের যন্ত্রসংগীতের কাজ করে।
ডাইনি লাভ ইট।
ডাইনিরা ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে পুরানো শিশি, বোতল কেনে। জাদুর পাঁচন বানিয়ে শিশি ভর্তি করে রেখে দেয়। উপরে আবার সুন্দর লেবেল সেঁটে রাখে। শহরের অনেক হোমিওপ্যাথিকের দোকান ডাইনিরা চালায়।
কেউ জানে না। আমি জানি।
ডাইনিদের প্রিয় সবজী কুমড়া। আর প্রিয় ফল ফুটি বা বাঙ্গি।বৃষ্টির দিনে কুমড়োর দানা ভেজে খায়।
বাঁধাকপি ও অনেক ডাইনি পছন্দ করে। বাঁধাকপির স্যুপ বেশ ভালই বানায় শুনেছি ।
কোন এক কবি বলেছেন - আমি কিছুই চাইনি , চেয়েছি শুধু ডাইনি।
সমস্যা হল ইউরোপের লোকজন মধ্যযুগে বেশির ভাগ ডাইনি মেরে ফেলেছে ।
সামান্য কিছু ডাইনি বেঁচে আছে।
ওদের রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।
আমি অনেক খোঁজ খবর নিয়ে তোমাদের বললাম। বিশ্বাস করা না করা তোমার মর্জি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন