সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বরফ কেন পানিতে ভাসে

 বেশির ভাগ সময় দুপুর বেলা দাদু বাইরে থেকে হাঁপাতে হাঁপাতে বাড়ি ফেরেন।

ফিরেই এক গ্লাস পানি সাথে বেশ কয়েক টুকরো বরফ নিয়ে বারান্দায় বসে পড়েন।
তারপর অনেক সময় নিয়ে গ্লাস খালি করেন। 
মুখ দিয়ে আহ আহ শব্দ করে বুঝিয়ে দেন বেশ তৃপ্তির মধ্যে আছেন । 

গ্লাসটা যখন নাড়াচাড়া করেন তখন ভেসে থাকা বরফগুলো টুং টাং শব্দ করে।
আচমকা মনে হল- ঠাণ্ডা পানি ওজনে ভারি হয়। আর বরফ তো পানির আরেক রূপ।
তাহলে বরফ পানিতে ভেসে থাকে কেন ?
কাঁচের এক বাউলে করে পানি নিলাম। আগে থেকেই ফ্রিজে এক ট্রে বরফ বানিয়ে রেখেছিলাম। বরফের টুকরোগুলো বাউলের পানিতে ছেড়ে দিলাম। ওরা দিব্যি ভেসে বেড়াচ্ছে। বরফের টুকরো যত বড় হউক না কেন ভেসে বেড়াবে।
আসলে পানি জমাট বেঁধে যখন বরফ হয় তখন আকারে বেড়ে যায় বহুগুণ। কিন্তু
ওজন যায় কমে। ঘনত্ব ও কমে যায়। ঠিক যেন কাঠ বা কর্কের মত। ফলে ভেসে থাকে।
শীতের দেশগুলোতে দেখবে শীতের মৌসুমে নদী জমে বরফ হয়ে যায়। উপর দিয়ে লোকজন হেঁটে বেড়াতে পারে। কিন্তু বরফের তলায় কুলকুল করে পানি বয়ে যায়।
মাছ বা অন্যান্য প্রাণী ঠিকই বেঁচে থাকে। কোন অসুবিধে হয় না।
সমুদ্রে বিশাল সব বরফ ভেসে থাকে । আইস বারগ বলে ওদের।
অনেক সময় বড় বড় জাহাজ গুলো মেশিন দিয়ে বরফ কেটে চলাচল করে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিনি পয়সার বিপদ

  বৃষ্টি । গহন ঘন ঝুম বৃষ্টি । শ্রাবণ মাস । বৃষ্টির  মউসুম ।   যেই সময়ের যেটা ।     গত কয়েক  দশক ধরে  বৃষ্টি এত কম হয়  ,   আষাঢ় -   শ্রাবণ এই শব্দ দুটো বাঙালি ভুলে গেছে । বাংলা ক্যালেন্ডারে এই নামে দুটো  পাতা আছে। ব্যস - এই ।    যারা  আশির দশকের মানুষ ,   তারা জানতো এই দুই  মাসের  ইন্দ্রজালের প্রভাব  ।টানা একুশ দিন বৃষ্টি হয়েছে অমন রেকর্ডও আছে জলবায়ু দপ্তরে  , মানুষের  স্মৃতিতে । এই বছরের  বৃষ্টি       পুরানো তামার পয়সার মত মানুষদের  মনে  ভেজা স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে  । গাড়ি চালাচ্ছেন দিলদার খান ।  পুলিশের লোক  , এস আই। পিছনের সিটে ঘুম ঘুম চোখে বসে আছে কনস্টেবল  ইব্রাহীম খলিল । সাধারণত খলিল গাড়ি চালায় । আজ বৃষ্টির তোড় এত বেশি ,   কী   মনে করে ওকে পিছনে বসিয়ে স্যার নিজেই চালাচ্ছে । মনে মনে বিরক্ত  খলিল । রাত বারোটায় শিফট শেষ হবে। কোথায় থানায় বসে চা খাবে। বাদামের খোসা ঠুস ঠাশ করে ভেঙ্গে  মুখে দেবে ।  সহকারী কনস...

অদ্ভুত সব টিনের কৌটা

অনেক গুলো   বছর   আগে    টিনের   এক    কৌটা   পেয়েছিলাম ।     ক্রিসমাসের   উপহার   ।   অবাক   হয়েছিলাম   দেখে   ।   একি আজব চিজ। সুভেনিয়র   মনে   হলেও  ,   খুলে   দেখি ,   ভেতরে   মসলা   দেয়া   খোসা ছড়ানো  ঝিনুক ।   এত   সুন্দর   দেখতে  , বলার   মত   না   ।    আর   হ্যাঁ  ,   তক্ষুনি   খেয়ে   ফেলতে   হবে   না ।   মোট   পাঁচ   বছর   রাখা   যাবে  ! কোন   তাড়া   নেই   ।     হায়   হায়  ! ভেবে   অবাক । মানুষ   কেমন   করে   এই   কায়দা   আবিস্কার   করল  ? মানে   খাবার   সংরক্ষণের   এই   কায়দা  ? খোঁজ   নিলাম   ভাল   করে    ।   নাহ  ,   এর   ইতিহাস   অনেক   প্রাচীন ।     সেই   গুহাযুগেই ...

সরাইখানার গোলমাল

  সরাইখানার   গোলমাল   আসে   কানে , ঘরের   সার্সি   বাজে   তাহাদের   গানে , পর্দা   যে   উড়ে   যায় তাদের   হাসির   ঝড়ের   আঘাতে   হায় ! - মদের   পাত্র   গিয়েছে   কবে   যে   ভেঙে ! আজও   মন   ওঠে   রেঙে দিলদারদের   দরাজ   গলায়   রবে , সরায়ের   উৎসবে ! ---------- জীবনানন্দ   দাশ       খাবার রান্না করা আর   পরিবেশন ের জায়গা ,   দুটোই  সমান  গুরুত্বপূর্ণ।   খাবারের স্বাদ , খদ্দেরের রুচি   আর ব্যবসা এই  তিনটের  জন্য হাই স্কিল লোক রাখা দরকার। যারা কাজটা জানে। ভাল সার্ভিস দিতে পারে। দক্ষ লোক আপনার লাগবেই।     খাবার বা পানীয় যে খানেই পরিবেশন হোক সেটাই - হসপিটালিটি বিভাগ। খদ্দেরের খুশির জন্যই বেশ খানিক ঝাঁ চকচকে পরিবেশ রাখতে হয়।   একই সাথে   ভাল কর্মী দরকার হবে আপনার। যারা  পরিশ্রম করতে পারে। হাসিখুশি। নিয়ম মেনে চলে। এবং পরিছন্ন।  রয়েছে  শেখার আগ্রহ । ...