সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পানির জগৎ

 চারিদিকেই পানি।

পুকুরে, নদীতে, বাতাসে, মাটির তলায়।
পানি ছাড়া এই পৃথিবী থাকতো না। কত রূপে আমাদের চারিপাশে পানি রয়েছে।
চেহারা বদলে বদলে।
পানি জিনিসটা আসলে কি ?


হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন। দুটো ভিন্ন ভিন্ন গ্যাস মিলে তৈরি হয় এই পানি।
দুই ভাগ হাইড্রোজেন আর এক ভাগ অক্সিজেন মিলে পানি তৈরি হওয়াতে এর রাসায়নিক সূত্র H2O ।
পানির তিনটে রূপ আছে। কঠিন, তরল এর বায়বীয়।

পানির বিশাল একটা স্তূপ জমাট বরফ হয়ে উত্তর মেরুতে আছে। এমন কি মঙ্গল গ্রহেও জমাট বাঁধা বরফ আছে। ধূমকেতুর মধ্যে আছে বরফের টুকরো । আমাদের পৃথিবীর ৭০ ভাগই পানি। কিন্তু এই পানির ৯৭ ভাগই নোনতা। পান করা যায় না। মাত্র ৩ ভাগ পানি মিষ্টি। নদী বা পুকুরে আর জলাভূমিতে আছে।
আমাদের শরীরের ৬৫% ভাগই পানি।
পানি না পান করলে আমাদের শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হবে। এবং আমরা অসুস্থ হয়ে মারা যেতে পারি।
অন্য সব জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্য পানি দরকার। গাছপালার জন্যও দরকার।
চাষাবাদ করার জন্য দরকার।
শিল্প কারখানায় ও পানির ব্যবহার হয়।


১ টন স্টিল বানাতে ৩০০ টন পানির দরকার হয়,
এক কেজি চাল উৎপাদনের জন্য ৫ হাজার লিটার পানির দরকার হয়।
আনারসের ৮০ ভাগই পানি।
টম্যাটোর ৯৫ ভাগ পানি।

তরমুজের ৯৩ ভাগ।
আমাদের হাড়ের ২৫ % পানি। মাগজের ৭৫ % পানি।
পানি আমাদের শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে রাখে। তাই জ্বর হলে প্রচুর পানি পান করা দরকার।


নানান কারনে প্রচুর পানির অপচয় করি আমরা।

পানির অপচয় রোধ করা দরকার।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিনি পয়সার বিপদ

  বৃষ্টি । গহন ঘন ঝুম বৃষ্টি । শ্রাবণ মাস । বৃষ্টির  মউসুম ।   যেই সময়ের যেটা ।     গত কয়েক  দশক ধরে  বৃষ্টি এত কম হয়  ,   আষাঢ় -   শ্রাবণ এই শব্দ দুটো বাঙালি ভুলে গেছে । বাংলা ক্যালেন্ডারে এই নামে দুটো  পাতা আছে। ব্যস - এই ।    যারা  আশির দশকের মানুষ ,   তারা জানতো এই দুই  মাসের  ইন্দ্রজালের প্রভাব  ।টানা একুশ দিন বৃষ্টি হয়েছে অমন রেকর্ডও আছে জলবায়ু দপ্তরে  , মানুষের  স্মৃতিতে । এই বছরের  বৃষ্টি       পুরানো তামার পয়সার মত মানুষদের  মনে  ভেজা স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে  । গাড়ি চালাচ্ছেন দিলদার খান ।  পুলিশের লোক  , এস আই। পিছনের সিটে ঘুম ঘুম চোখে বসে আছে কনস্টেবল  ইব্রাহীম খলিল । সাধারণত খলিল গাড়ি চালায় । আজ বৃষ্টির তোড় এত বেশি ,   কী   মনে করে ওকে পিছনে বসিয়ে স্যার নিজেই চালাচ্ছে । মনে মনে বিরক্ত  খলিল । রাত বারোটায় শিফট শেষ হবে। কোথায় থানায় বসে চা খাবে। বাদামের খোসা ঠুস ঠাশ করে ভেঙ্গে  মুখে দেবে ।  সহকারী কনস...

অদ্ভুত সব টিনের কৌটা

অনেক গুলো   বছর   আগে    টিনের   এক    কৌটা   পেয়েছিলাম ।     ক্রিসমাসের   উপহার   ।   অবাক   হয়েছিলাম   দেখে   ।   একি আজব চিজ। সুভেনিয়র   মনে   হলেও  ,   খুলে   দেখি ,   ভেতরে   মসলা   দেয়া   খোসা ছড়ানো  ঝিনুক ।   এত   সুন্দর   দেখতে  , বলার   মত   না   ।    আর   হ্যাঁ  ,   তক্ষুনি   খেয়ে   ফেলতে   হবে   না ।   মোট   পাঁচ   বছর   রাখা   যাবে  ! কোন   তাড়া   নেই   ।     হায়   হায়  ! ভেবে   অবাক । মানুষ   কেমন   করে   এই   কায়দা   আবিস্কার   করল  ? মানে   খাবার   সংরক্ষণের   এই   কায়দা  ? খোঁজ   নিলাম   ভাল   করে    ।   নাহ  ,   এর   ইতিহাস   অনেক   প্রাচীন ।     সেই   গুহাযুগেই ...

সরাইখানার গোলমাল

  সরাইখানার   গোলমাল   আসে   কানে , ঘরের   সার্সি   বাজে   তাহাদের   গানে , পর্দা   যে   উড়ে   যায় তাদের   হাসির   ঝড়ের   আঘাতে   হায় ! - মদের   পাত্র   গিয়েছে   কবে   যে   ভেঙে ! আজও   মন   ওঠে   রেঙে দিলদারদের   দরাজ   গলায়   রবে , সরায়ের   উৎসবে ! ---------- জীবনানন্দ   দাশ       খাবার রান্না করা আর   পরিবেশন ের জায়গা ,   দুটোই  সমান  গুরুত্বপূর্ণ।   খাবারের স্বাদ , খদ্দেরের রুচি   আর ব্যবসা এই  তিনটের  জন্য হাই স্কিল লোক রাখা দরকার। যারা কাজটা জানে। ভাল সার্ভিস দিতে পারে। দক্ষ লোক আপনার লাগবেই।     খাবার বা পানীয় যে খানেই পরিবেশন হোক সেটাই - হসপিটালিটি বিভাগ। খদ্দেরের খুশির জন্যই বেশ খানিক ঝাঁ চকচকে পরিবেশ রাখতে হয়।   একই সাথে   ভাল কর্মী দরকার হবে আপনার। যারা  পরিশ্রম করতে পারে। হাসিখুশি। নিয়ম মেনে চলে। এবং পরিছন্ন।  রয়েছে  শেখার আগ্রহ । ...