সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ক্ষুদে বিজ্ঞানীর ক্লাব

আমরা বাস করছি বিজ্ঞানের যুগে। চারিদিকের সব কিছুই বিজ্ঞানের দান।
বিজ্ঞানের চেয়ে মজার কিছু কি আছে ?
মনে হয় না।
যদি তুমি বল বিজ্ঞান তোমার ভাল লাগে না। তবে মস্ত বড় বোকামি হবে। বিজ্ঞান খুবই সহজ আর রোমাঞ্চকর এক জিনিস।
বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিস্কারের ফলেই সহজ আর সুন্দর হচ্ছে আমাদের জীবন।
বিজ্ঞানের প্রতিটা আবিস্কারের পিছনে রয়েছে মজার সব গল্প। মানুষ কৌতূহলী হয়েছে
প্রকৃতির রহস্যের প্রতি। নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে খুলেছে বিজ্ঞানের সব রহস্য।
বড় বড় বিজ্ঞানীদের কাহিনি পড়তে গিয়ে আবিষ্কার করবে গোয়েন্দা গল্পের চেয়ে কোন অংশে কম না সেই সব কাহিনি।
সব চেয়ে বড় কথা বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে মোটেও চলতে পারব না আমরা।
এই যে বইটা পড়ছ সেটা তো বিজ্ঞানের দান। তোমার হাতের টুথ ব্রাশ থেকে শুরু করে
ঘরের মোমবাতি সবই বিজ্ঞানের আবিষ্কার।
খুব ছোট বেলায় আমার হাতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীর প্রজেক্ট নামে একটা বই এসেছিল।
সেই বই আমাকে এক টানে নিয়ে গিয়েছিল বিজ্ঞানের রহস্যময় জগতে।
আমরা কয়েক বন্ধু মিলে এক বিজ্ঞান ক্লাব খুলেছিলাম।
আমাদের দেশে যত বিজ্ঞান ক্লাব থাকার কথা নেই।
তুমি নিজে খুলতে পার এক দারুন বিজ্ঞান ক্লাব।
এই বইটা শুধু তোমার জন্য।
আশা করব তুমি নিজেই একজন ক্ষুদে বিজ্ঞানী হয়ে উঠবে।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিনি পয়সার বিপদ

  বৃষ্টি । গহন ঘন ঝুম বৃষ্টি । শ্রাবণ মাস । বৃষ্টির  মউসুম ।   যেই সময়ের যেটা ।     গত কয়েক  দশক ধরে  বৃষ্টি এত কম হয়  ,   আষাঢ় -   শ্রাবণ এই শব্দ দুটো বাঙালি ভুলে গেছে । বাংলা ক্যালেন্ডারে এই নামে দুটো  পাতা আছে। ব্যস - এই ।    যারা  আশির দশকের মানুষ ,   তারা জানতো এই দুই  মাসের  ইন্দ্রজালের প্রভাব  ।টানা একুশ দিন বৃষ্টি হয়েছে অমন রেকর্ডও আছে জলবায়ু দপ্তরে  , মানুষের  স্মৃতিতে । এই বছরের  বৃষ্টি       পুরানো তামার পয়সার মত মানুষদের  মনে  ভেজা স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে  । গাড়ি চালাচ্ছেন দিলদার খান ।  পুলিশের লোক  , এস আই। পিছনের সিটে ঘুম ঘুম চোখে বসে আছে কনস্টেবল  ইব্রাহীম খলিল । সাধারণত খলিল গাড়ি চালায় । আজ বৃষ্টির তোড় এত বেশি ,   কী   মনে করে ওকে পিছনে বসিয়ে স্যার নিজেই চালাচ্ছে । মনে মনে বিরক্ত  খলিল । রাত বারোটায় শিফট শেষ হবে। কোথায় থানায় বসে চা খাবে। বাদামের খোসা ঠুস ঠাশ করে ভেঙ্গে  মুখে দেবে ।  সহকারী কনস...

অদ্ভুত সব টিনের কৌটা

অনেক গুলো   বছর   আগে    টিনের   এক    কৌটা   পেয়েছিলাম ।     ক্রিসমাসের   উপহার   ।   অবাক   হয়েছিলাম   দেখে   ।   একি আজব চিজ। সুভেনিয়র   মনে   হলেও  ,   খুলে   দেখি ,   ভেতরে   মসলা   দেয়া   খোসা ছড়ানো  ঝিনুক ।   এত   সুন্দর   দেখতে  , বলার   মত   না   ।    আর   হ্যাঁ  ,   তক্ষুনি   খেয়ে   ফেলতে   হবে   না ।   মোট   পাঁচ   বছর   রাখা   যাবে  ! কোন   তাড়া   নেই   ।     হায়   হায়  ! ভেবে   অবাক । মানুষ   কেমন   করে   এই   কায়দা   আবিস্কার   করল  ? মানে   খাবার   সংরক্ষণের   এই   কায়দা  ? খোঁজ   নিলাম   ভাল   করে    ।   নাহ  ,   এর   ইতিহাস   অনেক   প্রাচীন ।     সেই   গুহাযুগেই ...

সরাইখানার গোলমাল

  সরাইখানার   গোলমাল   আসে   কানে , ঘরের   সার্সি   বাজে   তাহাদের   গানে , পর্দা   যে   উড়ে   যায় তাদের   হাসির   ঝড়ের   আঘাতে   হায় ! - মদের   পাত্র   গিয়েছে   কবে   যে   ভেঙে ! আজও   মন   ওঠে   রেঙে দিলদারদের   দরাজ   গলায়   রবে , সরায়ের   উৎসবে ! ---------- জীবনানন্দ   দাশ       খাবার রান্না করা আর   পরিবেশন ের জায়গা ,   দুটোই  সমান  গুরুত্বপূর্ণ।   খাবারের স্বাদ , খদ্দেরের রুচি   আর ব্যবসা এই  তিনটের  জন্য হাই স্কিল লোক রাখা দরকার। যারা কাজটা জানে। ভাল সার্ভিস দিতে পারে। দক্ষ লোক আপনার লাগবেই।     খাবার বা পানীয় যে খানেই পরিবেশন হোক সেটাই - হসপিটালিটি বিভাগ। খদ্দেরের খুশির জন্যই বেশ খানিক ঝাঁ চকচকে পরিবেশ রাখতে হয়।   একই সাথে   ভাল কর্মী দরকার হবে আপনার। যারা  পরিশ্রম করতে পারে। হাসিখুশি। নিয়ম মেনে চলে। এবং পরিছন্ন।  রয়েছে  শেখার আগ্রহ । ...