সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রঙ রহস্য

 চারিদিকেই রঙ

বাগানের গোলাপ লালমাঠের ঘাস সবুজইশকুলের দালান বাড়িটা সাদা সূর্যমুখী ফুলের রঙ হলুদ
রঙের বৈচিত্রের শেষ নেই
রঙগুলো দেখতেই পেতাম না যদি আমাদের চোখের বিশেষ কোষগুলো না থাকতো
ধন্যবাদ ওদেরওরা আছে বলেই না এত রঙের বাহার দেখতে পাই
রঙ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণসেই প্রাচীন কালে যখন মানুষ বনে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াত তখন লাল রঙের ফল দেখলে মনে করত,  নিশ্চয়ই ভাল কোন খাবার পেয়েছি রে


 বিজ্ঞানীরা দেখেছে- আমরা বেগুণী বা নীল রঙের খাবার বেশি পছন্দ করি না
কারন সেই আদিম মানুষেরা বনে জঙ্গলে নীল রঙের খাবার বেশি পেত না তাই


আর আলো ও কিন্তু হরেক পদের আছেকিছু আলো দেখা যায়আবার কিছু আলো
দেখা যায় নাযেমন এক্স- রে এই আলো দেখা যায় না


সূর্যের আলোতে সাত রঙ থাকে জানি আমরাএখন কোন জিনিসের উপর যখন সূর্যের আলো পরে , ধরা যাক হাতের সামনে একটা পাকা কলা আছেওটার উপর আলো পড়লোকলাটা সব রঙ শুষে নিলকিন্তু হলুদ রঙটা শুষে নিতে পারলো না
রঙটা ফিরিয়ে দিলআর এই কারনেই কলাটা আমরা হলুদ রঙের দেখতে পাচ্ছি
কখন আমরা একটা জিনিস সাদা দেখি ?
যখন সেই জিনিসটা কোন রঙ শুষে নিতে পারল নাসব রঙ ফিরিয়ে দিল
তারমানে সাদা জিনিসে সব রঙ আছে
আবার কালো জিনিস কোন রঙ ফিরিয়ে দিতে পারে নাসব রঙ শুষে নেয়তাই কালো দেখা যায়

এটা একটা মজার পরীক্ষাসব বিজ্ঞান এক্সপেরিমেনট কিন্তু মজার খেলা
এই পরীক্ষার জন্য রঙিন একটা চাকতি লাগবে
তুমি নিজেও হয়তো এমন চাকতি অনেক দেখেছআমরা নিজেরাই বানিয়ে নেব
১০ সেন্টি মিটারের মাপে গোল করে আমরা কার্ডবোর্ড বা মোটা কাগজ কেটে নেই
সেই গোল কার্ডবোর্ড বা মোটা কাগজের উপরে কাটা কম্পাসের সাহায়্যে সমান মাপে সাত  ভাগ করে দাগ দিতে হবে
এই সাত  ভাগ আলাদা আলাদা সাত  রঙ করব এখন

লাল, কমলাহলুদ, সবুজ,নীল, আসমানি  এবং বেগুনীএই সাত  রঙ লাগবে


কালো রঙ না কিন্তু

 
রঙ শুকিয়ে গেলেচাকতির মাঝ খানে কায়দা করে একটা ছিদ্র করতে হবে
চাকতির মাঝ খানে সরু একটা কাঠি ঢুকিয়ে নিলেই আমাদের কাজ শেষ
পরীক্ষার জন্য তৈরি আমরা
যোগার যন্ত হয়ে গেছে
সরু কাঠি ধরে যত জোরে পার চাকতিটা   ঘুরাতে থাকোতারপর মেঝেতে রেখে দাও
ওটা নিজেই ঘুরুককি দেখতে পারছ ?
চাকতির সব রঙ আলাদা দেখা যাচ্ছে ? না একদম সাদা দেখা যাচ্ছে ?
আসলে হচ্ছে কি যখন চাকতিটা দ্রুত ঘুরতে থাকে তখন আমাদের চোখ রঙ গুলো
আলাদা করে চিনতে পারে না
আমরা সেই সব রঙের মিশ্রণটাই দেখি যেটা কিনা সূর্যের আলোতে সব সময় মিশে থাকে
ঠিক এই কারনেই আমরা সূর্যের আলোর কোন রঙ দেখি না
যেমন এখন রঙিন চাকতিটা ঘোরার কারনে তুমি সাদা  রঙ  দেখছ


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিনি পয়সার বিপদ

  বৃষ্টি । গহন ঘন ঝুম বৃষ্টি । শ্রাবণ মাস । বৃষ্টির  মউসুম ।   যেই সময়ের যেটা ।     গত কয়েক  দশক ধরে  বৃষ্টি এত কম হয়  ,   আষাঢ় -   শ্রাবণ এই শব্দ দুটো বাঙালি ভুলে গেছে । বাংলা ক্যালেন্ডারে এই নামে দুটো  পাতা আছে। ব্যস - এই ।    যারা  আশির দশকের মানুষ ,   তারা জানতো এই দুই  মাসের  ইন্দ্রজালের প্রভাব  ।টানা একুশ দিন বৃষ্টি হয়েছে অমন রেকর্ডও আছে জলবায়ু দপ্তরে  , মানুষের  স্মৃতিতে । এই বছরের  বৃষ্টি       পুরানো তামার পয়সার মত মানুষদের  মনে  ভেজা স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে  । গাড়ি চালাচ্ছেন দিলদার খান ।  পুলিশের লোক  , এস আই। পিছনের সিটে ঘুম ঘুম চোখে বসে আছে কনস্টেবল  ইব্রাহীম খলিল । সাধারণত খলিল গাড়ি চালায় । আজ বৃষ্টির তোড় এত বেশি ,   কী   মনে করে ওকে পিছনে বসিয়ে স্যার নিজেই চালাচ্ছে । মনে মনে বিরক্ত  খলিল । রাত বারোটায় শিফট শেষ হবে। কোথায় থানায় বসে চা খাবে। বাদামের খোসা ঠুস ঠাশ করে ভেঙ্গে  মুখে দেবে ।  সহকারী কনস...

অদ্ভুত সব টিনের কৌটা

অনেক গুলো   বছর   আগে    টিনের   এক    কৌটা   পেয়েছিলাম ।     ক্রিসমাসের   উপহার   ।   অবাক   হয়েছিলাম   দেখে   ।   একি আজব চিজ। সুভেনিয়র   মনে   হলেও  ,   খুলে   দেখি ,   ভেতরে   মসলা   দেয়া   খোসা ছড়ানো  ঝিনুক ।   এত   সুন্দর   দেখতে  , বলার   মত   না   ।    আর   হ্যাঁ  ,   তক্ষুনি   খেয়ে   ফেলতে   হবে   না ।   মোট   পাঁচ   বছর   রাখা   যাবে  ! কোন   তাড়া   নেই   ।     হায়   হায়  ! ভেবে   অবাক । মানুষ   কেমন   করে   এই   কায়দা   আবিস্কার   করল  ? মানে   খাবার   সংরক্ষণের   এই   কায়দা  ? খোঁজ   নিলাম   ভাল   করে    ।   নাহ  ,   এর   ইতিহাস   অনেক   প্রাচীন ।     সেই   গুহাযুগেই ...

সরাইখানার গোলমাল

  সরাইখানার   গোলমাল   আসে   কানে , ঘরের   সার্সি   বাজে   তাহাদের   গানে , পর্দা   যে   উড়ে   যায় তাদের   হাসির   ঝড়ের   আঘাতে   হায় ! - মদের   পাত্র   গিয়েছে   কবে   যে   ভেঙে ! আজও   মন   ওঠে   রেঙে দিলদারদের   দরাজ   গলায়   রবে , সরায়ের   উৎসবে ! ---------- জীবনানন্দ   দাশ       খাবার রান্না করা আর   পরিবেশন ের জায়গা ,   দুটোই  সমান  গুরুত্বপূর্ণ।   খাবারের স্বাদ , খদ্দেরের রুচি   আর ব্যবসা এই  তিনটের  জন্য হাই স্কিল লোক রাখা দরকার। যারা কাজটা জানে। ভাল সার্ভিস দিতে পারে। দক্ষ লোক আপনার লাগবেই।     খাবার বা পানীয় যে খানেই পরিবেশন হোক সেটাই - হসপিটালিটি বিভাগ। খদ্দেরের খুশির জন্যই বেশ খানিক ঝাঁ চকচকে পরিবেশ রাখতে হয়।   একই সাথে   ভাল কর্মী দরকার হবে আপনার। যারা  পরিশ্রম করতে পারে। হাসিখুশি। নিয়ম মেনে চলে। এবং পরিছন্ন।  রয়েছে  শেখার আগ্রহ । ...