সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নক্ষত্রের নাবিকেরা

 সিডনী শহরে পুরানো বইয়ের দোকানের অভাব নেই।

বইয়েরও অভাব নেই।
হাজারে বিজারে । মাত্র ২ ডলার দাম। যত রেয়ার বই হোক না কেন।
কিনতাম। প্রতি শনিবার একটা বা দুটো।
এক রবিবার বইগুলো গোছ গাছ করতে গিয়ে আবিষ্কার মানে ইউরেকা
করলাম মোট ১০-১২ টা বই আছে , সবগুলোর বিষয়বস্ত UFO. মহাপ্লাবন, পিরামিড, মহাগাতিক সভ্যতা, ভিন গ্রহের মানুষ। হেন তেন।
সস্তা পেয়ে কিনেছি। পড়া হয়নি। এবার পড়লাম।
কেমন একটা আজিব সা ফিলিং হতে লাগল।
তো সবগুলো থেকে তথ্য গায়েব করে লেখা শুরু করলাম। জমা দিলাম নামকরা এক প্রকাশনীতে। প্রকাশক সাহেবের মৃত্যুর পর প্রকাশক সাহেবের গিন্নির কাছ থেকে পাণ্ডুলিপি ফেরত আনলাম বহু কষ্ট করে। বহু দেন দরকার। হাত পায়ে ধরে।
উনি ফেরত দিলেন। শেষের 8০ পেইজ নেই। আরকটা পাণ্ডুলিপি একদম গায়েব করে বললেন - যান। পারলে কিছু করেন।
ভাল।
আবার লিখা শুরু করলাম ।
এবং বহু কষ্টে লেখা শেষও করলাম।
নন ফিকশনের পাঠক কম। তারপরও ঈহা প্রকাশনী ঝুঁকি নিয়ে বইটা বের করেছে। কৃতজ্ঞ।
যারা উৎসাহ দিয়েছেন তাদের প্রতিও। বইটা ভাল চললে এমন অব্যাখ্যাত রহস্য নিয়ে আরও লেখার ইচ্ছা আছে।
সবাইকে ধন্যবাদ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বিনি পয়সার বিপদ

  বৃষ্টি । গহন ঘন ঝুম বৃষ্টি । শ্রাবণ মাস । বৃষ্টির  মউসুম ।   যেই সময়ের যেটা ।     গত কয়েক  দশক ধরে  বৃষ্টি এত কম হয়  ,   আষাঢ় -   শ্রাবণ এই শব্দ দুটো বাঙালি ভুলে গেছে । বাংলা ক্যালেন্ডারে এই নামে দুটো  পাতা আছে। ব্যস - এই ।    যারা  আশির দশকের মানুষ ,   তারা জানতো এই দুই  মাসের  ইন্দ্রজালের প্রভাব  ।টানা একুশ দিন বৃষ্টি হয়েছে অমন রেকর্ডও আছে জলবায়ু দপ্তরে  , মানুষের  স্মৃতিতে । এই বছরের  বৃষ্টি       পুরানো তামার পয়সার মত মানুষদের  মনে  ভেজা স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে  । গাড়ি চালাচ্ছেন দিলদার খান ।  পুলিশের লোক  , এস আই। পিছনের সিটে ঘুম ঘুম চোখে বসে আছে কনস্টেবল  ইব্রাহীম খলিল । সাধারণত খলিল গাড়ি চালায় । আজ বৃষ্টির তোড় এত বেশি ,   কী   মনে করে ওকে পিছনে বসিয়ে স্যার নিজেই চালাচ্ছে । মনে মনে বিরক্ত  খলিল । রাত বারোটায় শিফট শেষ হবে। কোথায় থানায় বসে চা খাবে। বাদামের খোসা ঠুস ঠাশ করে ভেঙ্গে  মুখে দেবে ।  সহকারী কনস...

অদ্ভুত সব টিনের কৌটা

অনেক গুলো   বছর   আগে    টিনের   এক    কৌটা   পেয়েছিলাম ।     ক্রিসমাসের   উপহার   ।   অবাক   হয়েছিলাম   দেখে   ।   একি আজব চিজ। সুভেনিয়র   মনে   হলেও  ,   খুলে   দেখি ,   ভেতরে   মসলা   দেয়া   খোসা ছড়ানো  ঝিনুক ।   এত   সুন্দর   দেখতে  , বলার   মত   না   ।    আর   হ্যাঁ  ,   তক্ষুনি   খেয়ে   ফেলতে   হবে   না ।   মোট   পাঁচ   বছর   রাখা   যাবে  ! কোন   তাড়া   নেই   ।     হায়   হায়  ! ভেবে   অবাক । মানুষ   কেমন   করে   এই   কায়দা   আবিস্কার   করল  ? মানে   খাবার   সংরক্ষণের   এই   কায়দা  ? খোঁজ   নিলাম   ভাল   করে    ।   নাহ  ,   এর   ইতিহাস   অনেক   প্রাচীন ।     সেই   গুহাযুগেই ...

সরাইখানার গোলমাল

  সরাইখানার   গোলমাল   আসে   কানে , ঘরের   সার্সি   বাজে   তাহাদের   গানে , পর্দা   যে   উড়ে   যায় তাদের   হাসির   ঝড়ের   আঘাতে   হায় ! - মদের   পাত্র   গিয়েছে   কবে   যে   ভেঙে ! আজও   মন   ওঠে   রেঙে দিলদারদের   দরাজ   গলায়   রবে , সরায়ের   উৎসবে ! ---------- জীবনানন্দ   দাশ       খাবার রান্না করা আর   পরিবেশন ের জায়গা ,   দুটোই  সমান  গুরুত্বপূর্ণ।   খাবারের স্বাদ , খদ্দেরের রুচি   আর ব্যবসা এই  তিনটের  জন্য হাই স্কিল লোক রাখা দরকার। যারা কাজটা জানে। ভাল সার্ভিস দিতে পারে। দক্ষ লোক আপনার লাগবেই।     খাবার বা পানীয় যে খানেই পরিবেশন হোক সেটাই - হসপিটালিটি বিভাগ। খদ্দেরের খুশির জন্যই বেশ খানিক ঝাঁ চকচকে পরিবেশ রাখতে হয়।   একই সাথে   ভাল কর্মী দরকার হবে আপনার। যারা  পরিশ্রম করতে পারে। হাসিখুশি। নিয়ম মেনে চলে। এবং পরিছন্ন।  রয়েছে  শেখার আগ্রহ । ...